Nadia: গোপনে মৃত মায়ের চোখ-অঙ্গ বেচে দিল ছেলে-মেয়ে, কৃষ্ণনগরে নির্মম ঘটনা

মায়ের মৃত্যুর পর মৃত মায়ের চোখ ও অঙ্গ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তাঁরা জানতে পারেন, ওই মহিলার মৃত্যুর পর গাড়িতে বেশ কয়েকজন অজ্ঞাত পরিচয় ডাক্তার এসে মহিলার চোখ তুলে নিয়ে গিয়েছে।

Advertisement
গোপনে মৃত মায়ের চোখ-অঙ্গ বেচে দিল ছেলে-মেয়ে, কৃষ্ণনগরে নির্মম ঘটনাপ্রতীকী ছবি

মায়ের মৃত্যুর পর মৃত মায়ের চোখ ও অঙ্গ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তাঁরা জানতে পারেন, ওই মহিলার মৃত্যুর পর গাড়িতে বেশ কয়েকজন অজ্ঞাত পরিচয় ডাক্তার এসে মহিলার চোখ তুলে নিয়ে গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা খবর নিয়ে জানতে পারেন, এর আগে অঙ্গ বা চক্ষু দান করার কোন অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলেন না মৃত মহিলা। তাহলে কিসের ভিত্তিতে চিকিৎসকের দল বাড়িতে এসে মৃত মহিলার চোখ তুলে নিয়ে গিয়েছে? গ্রামবাসীদের আরও ধারণা শুধু চোখ নয় তাঁর দেহের অন্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রচুর অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করা হয়েছে। এই ঘটনা প্রকাশ্য জানাজানি হতেই শুরু হয় চাঞ্চল্য। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা গণস্বাক্ষর করে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন থানায়। এরপরই ঘটনাটির তদন্তে নামে পুলিশ। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। গ্রেফতার করা হয় ওই মৃত মহিলার ছেলে ও মেয়েকে।
 
চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার শেনপুর শ্যামনগর পাড়া এলাকায়। মৃত মহিলার অভিযোগ, রাবেয়া বিবির চার ছেলে ও দুই মেয়ে। তাঁরা মাকে দেখভাল করত না। এমন কি মা বলেও পরিচয় দিত না। রবিবার, সকালে আবিয়া বিবি মারা যায় বলে জানায় তাঁর ছেলে। মারা যাওয়ার পর একটি গাড়ি করে বেশ কয়েকজন অজ্ঞাত পরিচয় চিকিৎসক এসে তাঁর মায়ের চোখ নাকি নিয়ে গিয়েছে। 

স্থানীয় বাসিন্দারা খবর নিয়ে জানতে পারেন এর আগে অঙ্গ বা চক্ষু দানে অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলেন না মৃত রাবেয়া বিবি। তাহলে কিসের ভিত্তিতে চিকিৎসকর দল বাড়িতে এসে মৃত মহিলার চোখ খুলে নিয়ে গিয়েছেন? গ্রামবাসীদের আরও ধারণা শুধু চোখ নয় তার দেহের অন্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রচুর অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করা হয়েছে। এই ঘটনা প্রকাশ্য জানাজানি হতেই শুরু হয়েছে চাঞ্চল্য। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা গণস্বাক্ষর করে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেয় কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানায়। এরপর পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মৃত মহিলার তিন সন্তান এতদিন মায়ের সঙ্গে কোনও রকম যোগাযোগ রাখত না হঠাৎ করে কিভাবে মায়ের মৃত্যু হল এবং মৃত্যুর পরে তার দেহের অঙ্গ কোন সংস্থাকে দিয়েছে তার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। 

Advertisement

যদিও মৃত আবিয়া  বিবির তিন ছেলে আমির চাঁদ শেখ, আব্দুল শেখ ও সাব্দুল শেখ রাবেয়া বিবির অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কাদের কাছে এবং কাদের মাধ্যমে বিক্রি করেছে তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করছে স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে মৃত মহিলা সন্তানরা যে সংস্থার কাগজপত্র দেখাচ্ছে, তার বৈধ সত্যতা কতটা তারও তদন্তের আর্জি জানিয়েছে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ প্রশাসনের কাছে। 

যদিও এ বিষয়ে কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সম্ভব জৈন বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের তরফ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। ইতিমধ্যেই পুলিশ একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। মৃতদেহটি ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে তারপর সবকিছু জানা যাবে। এছাড়া বাড়ির লোক তার চক্ষু দানের কিছু কাগজপত্র দেখিয়েছে সেগুলো আমরা যাচাই করছি। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তার ছেলে ও মেয়েদের পুলিশ গ্রেপ্তার হয়েছে।

POST A COMMENT
Advertisement