প্রতীকি ছবিচণ্ডীবেড়িয়ায় ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে নিউটাউনে সোমবার চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। কেন এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে এখনও ধন্দে নিউ টাউন থানার পুলিশও। ওই তরুণী তৃষা সাহার (২৫) লিভ-ইন পার্টনার সৌভিক রায় (৩০) বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, ঘটনার নেপথ্যে সম্পর্কে টানাপড়েন থাকতে পারে। এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতে নিউটাউনে ঘটে গেল ভয়ঙ্কর ঘটনা। এবার জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে পরপর একাধিক জনকে কুপিয়ে খুন।
একই পরিবারে দু'জনকে কুপিয়ে খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নিউটাউনে। পুলিশ জানিয়েছে, নতুন পুকুর ছাতনায় জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরে কুপিয়ে খুনের এই ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যে দু'জনকে আটক করা হয়েছে।
ভিটেমাটির বিবাদকে কেন্দ্র করে ধারালো অস্ত্রের কোপে প্রাণ হারালেন বাবা ও ছেলে। মর্মান্তিক এই হামলায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন পরিবারের গৃহবধূ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতদের নাম মোজাফফর মিস্ত্রি ওরফে মনা (৫৫) এবং তাঁর ছেলে বাপি মিস্ত্রি (২৬)।
এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বাপি মিস্ত্রির। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় মোজাফফর মিস্ত্রি, হোসেনারা বিবি। পরে মৃত্যু হয় মোজাফফর মিস্ত্রিরও। জানা যাচ্ছে, পাথরঘাটা এলাকায় মিস্ত্রি পরিবারের একটি বিতর্কিত জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ঝামেলা চলছিল। সোমবার সেই জমিতে অন্য পক্ষ নির্মাণকাজ শুরু করলে মনা মিস্ত্রি ও তাঁর পরিবার তাতে বাধা দিতে যান। অভিযোগ, বাধা দেওয়া মাত্রই বিপক্ষ গোষ্ঠী আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এবং ধারালো অস্ত্র উঁচিয়ে তাঁদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। পরিস্থিতি মুহূর্তের মধ্যে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দুষ্কৃতীরা রামদা ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে মনা, তাঁর ছেলে বাপি এবং স্ত্রীকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। অস্ত্রের আঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাঁরা বাপি মিস্ত্রির খুড়তুতো ভাই। জমি জায়গা সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই খুনের ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশের আশঙ্কা, জমি সংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পারিবারিক অশান্তি ছিল। সেই অশান্তির জেরেই কুপিয়ে খুন। নেপথ্যে আর কোনও কারণ রয়েছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ভরদুপুরে এমন বিভৎস হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়াতেই সমগ্র পাথরঘাটা এলাকায় তীব্র আতঙ্কের পাশাপাশি ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়েই বিধাননগর কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান।