
দেশবাসীকে ইদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, 'ইদ উল ফিতরে সকলকে শুভেচ্ছা। সর্বত্র ভাতৃত্ব এবং মানবিকতার পরিবেশ বজায় থাকুক। সুস্থ এবং সুখী থাকুন সকলে। ইদ মোবারক।'

দেশবাসীকে ইদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। তিনি বলেন, 'ইদের পবিত্র উৎসবে অন্তর থেকে সকলকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। দেশ ও বিদেশে থাকা সকল মুসলিম ভাইবোনেদের আমার ভালোবাসা। এই উৎসব যেন সৌভাতৃত্ব, শান্তি এবং সম্প্রীতির বার্তা বহন করে আনেন।'

ইদের শুভেচ্ছা জানিয়ে এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও।

প্রায় ১৭ বছর পর স্বদেশে ইদ পালন করছেন তারেক রহমান। তাও আবার দেশের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসে। তারেক রহমানকে ইদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি লিখেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও।

পার্ক সার্কাসের লাল মসজিদের ইদের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

শনিবার রেড রোডে ইদের নমাজেও সেই ধারা বজায় রইল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মানবতার কথা বলেন। বলেন ঐক্য এবং সম্প্রীতির কথাও। তাঁর কথায়, ‘মানবতার জন্য একজোট হতে হবে সকলকে। বাংলার সম্প্রীতি অটুট থাক। রমজানে রাম আছে, দিওয়ালিতে আলি। যে চাঁদ দেখে ইদ হয়, সেই চাঁদ দেখেই হয় করবাচৌথও।’

রঙিন আলো, সেমাইয়ের গন্ধ, কাবাবের ধোঁয়া আর বিরিয়ানির সুবাসে জমে উঠেছে ইদ-উল-ফিতর। পরিবার পরিজনের সঙ্গে চলছে উৎসব উদযাপন।

এবারের উৎসবে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে গ্যাস সঙ্কট। বহু ছোট খাবারের দোকান, যেগুলো বছরের এই সময়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবসা করে, গ্যাস সিলিন্ডারের জোগান কমে যাওয়ায় অনেকেই আংশিক বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। আবার কেউ কেউ সম্পূর্ণভাবে ব্যবসা গুটিয়ে ফেলেছেন। যারা টিকে আছেন, তারাও দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন।

শুধু বিরিয়ানি নয়, কাবাব, হালিম, রুটি—সব কিছুর দামই বেড়েছে। ফলে সাধারণ ক্রেতাদের পকেটে চাপ পড়ছে। অনেকেই আগের মতো খাওয়া-দাওয়া করতে পারছেন না।

সঙ্কটের প্রভাব শুধু দামের উপরই নয়, কাজের সুযোগের উপরও পড়েছে। বহু অস্থায়ী কর্মী, যারা রমজান মাসে অতিরিক্ত আয়ের আশায় এই সময়ে কাজ করতেন, তাঁরাও রোজগারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।