Pahalgam Attack: QR CODE-এই ধরা পড়বে সন্দেহভাজন, জঙ্গি হামলার ১ বছর পর কতটা বদলেছে পহেলগাঁও?

বছর ঘুরেছে। নৃশংস সেই জঙ্গি হামলার স্মৃতি এখনও টাটকা। এক বছরে কতটা বদলাল পহেলগাঁও। কাশ্মীরের এই 'মিনি সুইৎজারল্যান্ড' এখন আতঙ্কমুক্ত হয়েছে কি? তবে পর্যটকদের দেওয়া হচ্ছে বিশেষ QR CODE যাচাইয়ের পদ্ধতি। জানুন বিস্তারিত...

Advertisement
 QR CODE-এই ধরা পড়বে সন্দেহভাজন, জঙ্গি হামলার ১ বছর পর কতটা বদলেছে পহেলগাঁও? পহেলগাঁও এখন কেমন আছে?
হাইলাইটস
  • বছর ঘুরলেও জঙ্গি হামলার স্মৃতি এখনও টাটকা
  • কতটা বদলাল পহেলগাঁও?
  • পর্যটকদের দেওয়া হচ্ছে বিশেষ QR CODE

২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল। দিনটা ভারতের ইতিহাসের পাতায় রক্তাক্ত অধ্যায় হিসেবেই রয়ে যাবে। জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে পাকিস্তানে আশ্রিত সন্ত্রাসীরা একদল পর্যটকের উপর নির্মম ভাবে গুলি চালায়। এই ঘটনায় ২৫ জন পর্যটক ও একজন স্থানীয় বাসিন্দা নিহত হন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত পাকিস্তানে অবস্থিত লস্কর-ই-তৈবা এবং জইশ-ই-মহম্মদের সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে 'অপারেশন সিঁদুর' শুরু করে। তবে এই মুহূর্তে কী পরিস্থিতি পহেলগাঁওতে? পর্যটকরা কি সেখানে যেতে সাহস পাচ্ছেন? আতঙ্ক দূর করতে কী বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? 

হামলার এক বছর পর ভারত যখন পহেলগাঁও হামলা স্মরণ করে শোকপালন করছে, তখন জওয়ানরা পাকিস্তানকে একটি কড়া বার্তা দিয়েছে। ভারতীয় সেনা জানিয়েছে, কিছু নির্দিষ্ট সীমা কখনওই অতিক্রম করা উচিত নয়। এমনটা ঘটলে তার পরিণতির কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন জওয়ানরা। 

পহেলগাঁও আক্রমণের বার্ষিকীর ঠিক একদিন আগে ভারতীয় সেনাবাহিনী সোশ্যাল মিডিয়ার একটি পোস্টে লিখেছে, 'যখন মানবতার সীমা লঙ্ঘিত হয়, তখন তার প্রতিক্রিয়া হয় ঐতিহাসিক। ন্যায়বিচার অবশ্যই প্রতিষ্ঠিত হয়। ভারত ঐক্যবদ্ধ।' এই পোস্টে একটি গ্রাফিক্সও শেয়ার করা হয়েছে। যেখানে ক্যাপশন রয়েছে, 'কিছু সীমা কখনওই অতিক্রম করা উচিত নয়। ভারত কখনও ভোলে না।'

এদিকে, পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলার প্রথম বার্ষিকীকে সামনে রেখে কাশ্মীর জুড়ে পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এই বার্ষিকী উপলক্ষে সমস্ত নিরাপত্তা সংস্থাকে সম্ভাব্য কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিশ্চিত করার জন্য মাঠ পর্যায়ে প্রস্তুতিমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই ব্যবস্থাগুলি পর্যালোচনা করছেন। 

পহেলগাঁও হামলায় এই অঞ্চলের বাইসারান তৃণভূমি বিধ্বস্ত হয়। যার ফলে জম্মু ও কাশ্মীরে পর্যটনে মন্দা দেখা দেয় এবং প্রায় ৫০টি পর্যটন কেন্দ্র সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। নিরাপত্তা পরীক্ষার পর এই কেন্দ্রগুলি এখন পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

এখন পহেলগাঁওয়ের পরিস্থিতি কী?
বর্তমানে পহেলগাঁওয়ের বিস্তীর্ণ প্রান্তর আবারও পর্যটকদের ভিড়ে মুখরিত। কারণ মিনি সুইৎজারল্যান্ড নামে পরিচিত এই এলাকাটি গত বছরের হামলার ছায়া থেকে বেরিয়ে আসছে। পহেলগাঁও রিসর্টে নতুন পরিষেবা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যার মধ্যে পর্যটকদের সংস্পর্শে আসার আগে পরিষেবা প্রদানকারী ও বিক্রেতাদের যাচাই করাও অন্তর্ভূক্ত। 

পহেলগাঁওতে পর্যটকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য সমস্ত পর্যটন পরিশেবা প্রদানকারীদের জন্য একটি QR কোড ভিত্তিক শনাক্তকরণ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে টাট্টু ঘোড়ার সওয়ারি চালক, হকার, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং বাইরের বিক্রেতা সহ রেজিস্টার্ড পরিষেবা প্রদানকারীদের সহজে শনাক্ত ও যাচাই করা যায়।

আধিকারিকরা জানিয়েছেন, প্রতিটি পরিষেবা প্রদানকারীকে পুলিশি যাচাইয়ের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ দ্বারা রেজিস্টার্ড করা হয়েছে এবং তাঁদের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক তথ্য সম্বলিত একটি বিশেষ QR কোড বরাদ্দ করা হয়ছে। পর্যটকরা তাঁদের মোবাইল ফোন দিয়ে এই কোডগুলি স্ক্যান করে পরিষেবা প্রদানকারীদে সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য পেতে পারেন। 

 

POST A COMMENT
Advertisement