নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ, খতম ১৪ মাওবাদী

সুকমা জেলায় বড়সড় মাওবিরোধী অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী। গত কয়েক ঘণ্টায় বাহিনীর সঙ্গে এনকাউন্টারে নেমে নিকেশ কমপক্ষে ১৪ জন মাওবাদী। শনিবার সকালে নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

Advertisement
নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ, খতম ১৪ মাওবাদীনিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে পরপর এনকাউন্টার
হাইলাইটস
  • বড়সড় মাওবিরোধী অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী।
  • এনকাউন্টারে নেমে নিকেশ কমপক্ষে ১৪ জন মাওবাদী।
  • নিহতদের মধ্যে রয়েছে কোন্টা এরিয়া কমিটির সেক্রেটারি মাংরুও।

ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায় বড়সড় মাওবিরোধী অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী। গত কয়েক ঘণ্টায় বাহিনীর সঙ্গে এনকাউন্টারে নেমে নিকেশ কমপক্ষে ১৪ জন মাওবাদী। শনিবার সকালে নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

রিপোর্ট মোতাবেক, শুক্রবার সন্ধ্যাবেলায় এই অপারেশন শুরু করেছিল DRG। কিস্তারাম থানা এলাকায় এই অভিযান চলছিল। পামলুর গ্রামের কাছে এসে হঠাৎ করেই মুখোমুখি হয় নিরাপত্তা বাহিনী ও মাওবাদীরা। শনিবার সকালে জানা যায়, বাহিনীর গুলিতে খতম হয়েছে কমপক্ষে ১২ জন। এদের মধ্যে রয়েছে কোন্টা এরিয়া কমিটির সেক্রেটারি মাংরুও। বাকি নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

পুলিশ সুপার কিরণ চবন বর্তমানে অভিযান পর্যবেক্ষণ করছেন। এনকাউন্টারের জায়গা থেকে AK-47 এবং INSAS রাইফেলের মতো অটোমেটিক অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশ থেকে নকশালবাদ নির্মূল করার লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হল। 

পুলিশ জানিয়েছে এর আগে, বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে পৃথক সংঘর্ষেও দুই মাওবাদীকে খতম করা হয়েছিল। শনিবার ভোর ৫টা নাগাদ এই এনকাউন্টারটি ঘটে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে,  বিজাপুরের দক্ষিণাংশে একটি জঙ্গলের মধ্যে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছিল DRG ও ছত্তিশগড় পুলিশের বাহিনী। হঠাৎ নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় মাওবাদীরা। এরপরেই তাদের নিকেশ করা হয়। ওই এলাকায় এখনও অভিযান চলছে বলে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য বিষয় হল, গত বছরে অর্থাৎ ২০২৫ সালে একাধিক এনকাউন্টারে মোট ২৮৫ জন মাওবাদীকে খতম করা হয়। এরমধ্যে ২৫৭ জনকে বাস্তারে নিকেশ করা হয়। বাকি ২৭ জনকে খতম করা হয় গড়িয়াবান্দ জেলায়।


 

POST A COMMENT
Advertisement