Haryana : কাশি, জ্বর...১৪ দিনে প্রাণ হারাল একই গ্রামের ২০ জন; আতঙ্ক

এ যেন 'মৃত্যু গ্রাম'। মাত্র ১৪ দিনে জ্বর, কাশি, বমিতে প্রাণ হারিয়েছেন ২০ জন। তারপর থেকে আতঙ্কে গোটা এলাকা। ঘটনা হরিয়ানার পালওয়াল জেলার ছাইন্সা গ্রামের। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে সেখানে বসানো হয়েছে মেডিকেল ক্যাম্প।

Advertisement
কাশি, জ্বর...১৪ দিনে প্রাণ হারাল একই গ্রামের ২০ জন; আতঙ্ক প্রতীকী ছবি
হাইলাইটস
  • এ যেন 'মৃত্যু গ্রাম'। মাত্র ১৪ দিনে জ্বর, কাশি, বমিতে প্রাণ হারিয়েছেন ২০ জন
  • তারপর থেকে আতঙ্কে গোটা এলাকা

এ যেন 'মৃত্যু গ্রাম'। মাত্র ১৪ দিনে জ্বর, কাশি, বমিতে প্রাণ হারিয়েছেন ২০ জন। তারপর থেকে আতঙ্কে গোটা এলাকা। ঘটনা হরিয়ানার পালওয়াল জেলার ছাইন্সা গ্রামের। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে সেখানে বসানো হয়েছে মেডিকেল ক্যাম্প। রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। অনেকের শরীরে হেপাটাইটিস বি সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনা সামনে আসার পরই স্বাস্থ্য দফতরের একটি ইউনিটকে পাঠানো হয়েছে ওই গ্রামে। সেখানে ক্যাম্প করা হয়েছে। প্রতিটা বাড়ি থেকে রক্তের নমুনা নিয়ে জন্ডিস, হেপাটাইটিস বি এবং হেপাটাইটিস সি পরীক্ষা করানো হচ্ছে। যাঁদের ফলাফল পজিটিভ আসছে তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে চিকিৎসার জন্য। ওই গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই সর্দি, জ্বর, কাশিতে ভুগছেন। 

স্বাস্থ্য দফতরের নোডাল অফিসার বাসুদেব গুপ্ত জানান, হেপাটাইটিস বি সাধারণত দূষিত সূচ ব্যবহার এবং অসুরক্ষিত যৌন মিলনের ফলে হয়ে থাকে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, মাদক নেওয়ার জন্য যে সূচ ব্যবহার করা হচ্ছে, তার থেকে এই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এছাড়াও গ্রামে কিছু পরিযায়ী শ্রমিক ও ট্রাক চালক রয়েছেন। তাঁদের অসুরক্ষিত সম্পর্ক স্থাপনের জন্য এই সংক্রমণ বেড়ে থাকতে পারে। সব দিকই বিবেচনা করা হচ্ছে। গ্রামে সতর্কতামূলক প্রচার চালাচ্ছে প্রশাসন। 

যদিও প্রশাসনের এই দাবি মানতে নারাজ স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, এই সংক্রমণের প্রধান কারণ জলের দূষণ। এলাকার এক বাসিন্দা জোরের সঙ্গে বলেন, 'গুরুগ্রামের জল খুব দূষিত। শিল্প বা কারখানার বর্জ্য জল গ্রামের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়। সেই কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেকে।' 

প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মৃত্যুর কারণ নিয়ে বাকযুদ্ধ চললেও একের পর এক ব্যক্তি প্রাণ হারাচ্ছেন। গত সপ্তাহে মাত্র ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর প্রাণ হারিয়েছেন। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ায় মৃত্যু হয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে প্রশাসন। তাদের দাবি, ওই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া মাত্রই পদক্ষেপ করা হয়েছে।  
 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement