Cockroach Effigy Burning: দশেরায় রাবণের পাশে আরশোলাও পোড়ানো হবে দিল্লিতে, CJP-র আন্দোলনের মাঝে বিতর্ক

দিল্লিতে পোড়ানো হবে ৩০ ফুটের আরশোলা। রাবণের পাশেই পোড়ানো হবে। সিজেপির আন্দোলনের মাঝেই এই উদ্যোগ। ঠিক কী বলছেন উদ্যোক্তারা? জেনে নিন।

Advertisement
দশেরায় রাবণের পাশে আরশোলাও পোড়ানো হবে দিল্লিতে, CJP-র আন্দোলনের মাঝে বিতর্কআরশোলার কুশপুতুল পোড়ানো হবে
হাইলাইটস
  • দিল্লিতে পোড়ানো হবে ৩০ ফুটের আরশোলা
  • রাবণের পাশেই পোড়ানো হবে
  • সিজেপির আন্দোলনের মাঝেই এই উদ্যোগ

মুখ্য নিবার্চন কমিশনারের পদত্যাগ চাইছে ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি। সেই মতো দিল্লির রাস্তায় চলছে নিয়মিত প্রতিবাদ। এমন সময় আবার উল্টো ছবি রাজধানীর অন্যপ্রান্তে। সেখানে এক জায়গায় দশেরায় রাবণ, কুম্ভকর্ণ ও মেঘনাদের সঙ্গে পোড়ানো হবে ৩০ ফুটের একটি আরশোলার কুশপুতুল। আয়োজকদের দাবি, নোংরা ও অপরিচ্ছন্নতার প্রতীক আরশোলা। তাই আরশোলা পুড়িয়েই পরিচ্ছন্নতার বার্তা দেওয়া হবে। আর তাতেই বিতর্ক দানা বেঁধেছে।

আসলে পিতমপুরায় প্রতিবছর রামলীলার আয়োজন করে শ্রী কেশব রামলীলা কমিটি। কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, স্বচ্ছ ভারত অভিযান ও স্বচ্ছ দিল্লি অভিযানের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এই উদ্যোগ। যদিও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ আবার এই আরশোলা পোড়ানোকে বিশেষ বার্তা হিসেবেই দেখছেন। তাঁদের মতে, এর মাধ্যমে আদতে সিজেপিকে লক্ষ্য করেছে রামলীলা কমিটি। যদিও এই দাবি মানতে নারাজ উদ্যোক্তারা।

এই কমিটির সভাপতি তথা বিজেপি বিধায়ক অশোক গোয়েল জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িত নেই। তাঁর দাবি, আরশোলার কুশপুতুল পোড়ানোর মাধ্যমে অশুভ শক্তির উপর শুভ শক্তির জয়ের বার্তাই তুলে ধরা হবে। গোয়েল আরও জানিয়েছেন, রাবণের সেনাবাহিনীর অসুরদের মধ্যেও জায়গা পাবে এই আরশোলা। 

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পথে সিজেপি
চলতি বছরেই নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমেছিল সিজেপি। সেই আন্দোলনের পর পদত্যাগ করতে হয় ধর্মেন্দ্রকে। আর এবার ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর-এর অনিয়ম নিয়ে আওয়াজ তুলেছে দলটি। এই অনিয়মের জন্য মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি করছে তারা। 

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে ১৬ অক্টোবর, শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা হাতে জমায়েত হওয়ার ডাক দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই সংগঠনের দুই নেতাকে তিহাড় জেলে পাঠানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতেই আবার কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।

এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। আধাসামরিক বাহিনীর একাধিক কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে। কনট প্লেস ও যন্তর মন্তর এলাকায় রয়েছে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এমনকী সেন্ট্রাল পার্ক বন্ধ করা হয়েছে বলে খবর। 

Advertisement

যদিও বৃহস্পতিবারের প্রতিবাদ কর্মসূচি বন্ধ করার আর্জি খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

POST A COMMENT
Advertisement