Karnataka Leopard Death: অবৈধ ব্লাস্ট করিয়ে পাথর উত্তোলন, কর্নাটকে উদ্ধার ৪ লেপার্ডের ছিন্নভিন্ন দেহ

বেঙ্গালুরুর কাছে অবৈধ প্রক্রিয়ায় ব্লাস্ট করিয়ে পাথর উত্তোলনের কারণে মৃত্যু হল ৪ লেপার্ডের। এদের মধ্যে একটি অন্তঃসত্ত্বা ছিল বলে খবর। ছিন্নভিন্ন অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে লেপার্ডগুলির দেহ।

Advertisement
অবৈধ ব্লাস্ট করিয়ে পাথর উত্তোলন, কর্নাটকে উদ্ধার ৪ লেপার্ডের ছিন্নভিন্ন দেহ কর্নাটকে লেপার্ডের মৃত্যু (প্রতীকী ছবি)
হাইলাইটস
  • কর্নাটকে অবৈধ প্রক্রিয়ায় পাথর উত্তোলন
  • ব্লাস্টিংয়ের জেরে মৃত্যু ৪ লেপার্ডের
  • ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন BJP বিধায়ক

আরাবল্লীর খননে সুপ্রিম স্থগিতাদেশ মিললেও দেশের নানা প্রান্তে অবৈধ পাথর উত্তোলনের কাজ অব্যাহত। কর্নাটকের বেঙ্গালুরু গ্রামীণ এলাকায় এমনই এক অবৈধ প্রক্রিয়ায় পাথর উত্তোলনের জন্য মৃত্যু হল এক অন্তঃসত্ত্বা সহ ৪ লেপার্ডের। ঘটনাটি যশবন্তপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত মানচনাবেলের কাছে চিক্কানাহল্লি এলাকার। 

বন বিভাগের কর্তারা জানিয়েছেন, লেপার্ডের মৃতদেহগুলি বিকৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। ঘটনায় রাজনৈতিক মহলেরও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। যশবন্তপুরের BJP বিধায়ক এসটি সোমশেখর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বন বিভাগের বিরুদ্ধে চরম অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, 'রাজ্যে ঘন ঘন বন্যপ্রাণীর মৃত্যু সত্ত্বেও বন বিভাগ কোনও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হচ্ছে।'

সোমশেখর অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অবৈধ ব্লাস্টিং চলছে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী এবং কর্মকর্তা চরম উদাসীনতা দেখাচ্ছেন। বিধায়কের আরও দাবি, তিনিই এই বিষয়ে বনমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বেশ কয়েকবার চেষ্টাও করেছিলেন। কিন্তু তার ফোন কলের কোনও উত্তর মেলেনি। BJP বিধায়কের বক্তব্য, 'এই ঘটনা সম্পর্কে বন বিভাগকে একটি অফিশিয়াল চিঠি পাঠানো হয়েছে। অবিলম্বে অবৈধ ব্লাস্টিং বন্ধ, দোষীদের শনাক্তকরণ এবং লেপার্ডের মৃত্যুর জন্য কে দায়ী তা খুঁজে বের করতে হবে।' এই মামলাটি আবারও কর্নটকে বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। 

অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে আরাবল্লীর পাদদেশে খনন, নির্মাণ ও রিয়েল এস্টেট প্রকল্প ঘিরে যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল সাময়িক ভাবে হলেও কেটেছে। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, গত ২০ নভেম্বরের নির্দেশ আপাতত কার্যকর করা হবে না। আগামী শুনানি ২১ জানুয়ারি ২০২৬। তত দিন পর্যন্ত স্থগিত থাকবে সংশ্লিষ্ট নির্দেশ। কারণ আরাবল্লি কার্যত এমনিতেই ধ্বংসের মুখে। শুধু খনন নয়, নগরায়ন, চাষবাস আর বসতি বিস্তারের চাপে ক্ষয়ে যাচ্ছে এই পাহাড়। রাজস্থানের সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির গবেষকদের করা এক সমীক্ষা বলছে, ২০৫৯ সালের মধ্যে আরাবল্লির ১৬,৩৬০ বর্গকিলোমিটারের বেশি বনভূমি জনবসতিতে পরিণত হতে পারে। অর্থাৎ, এক মানবজীবনের মধ্যেই উধাও হয়ে যেতে পারে পাহাড়ের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ গাছ।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement