দিল্লিতে মমতা-দীপকে সাক্ষাৎককরোচ জনতা পার্টিকে আগেই সমর্থন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শোনা গিয়েছিল প্রশংসাও। এবার অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে হল মোলাকাত। রবিবার দিল্লিতে ইন্ডিয়া ব্লকের মেগা সমাবেশ। শনিবারই দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই দীপকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ নেত্রীর।
অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে বৈঠকের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,'আগামিকালের কর্মসূচিতে ওঁরা সমর্থন জানিয়েছেন। আমি ওঁদের নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত। শুধু আমিই নয়, এই আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং প্রতিষ্ঠাতা ওঁরাই। ওদের সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি আমরাও। এসআইআর আন্দোলন আমরাই শুরু করেছিলাম'।
এ রাজ্যে আসার জন্য সিজেপি নেতাদের আমন্ত্রণও জানান মমতা। তাঁর কথায়,'ওদের বাংলায় আসার জন্যও আমন্ত্রণ জানিয়েছি। দেশের জন্য ওঁরা খুব ভাল কাজ করছে'। কলকাতায় কি সিজেপি সভা করবে? মমতার জবাব,'সেই সিদ্ধান্ত ওরা নেবে'।
যন্তর মন্তরের আন্দোলনকে সমর্থন করেছিলেন উনি। সবসময় তরুণদের আন্দোলনে পাশে থাকেন উনি। সৌরভ ও আশুতোষ যখন বেআইনিভাবে গ্রেফতার করেছিল, তখনও দৃঢ়ভাবে পাশে ছিলেন দিদি। তাই ওঁকে কৃতজ্ঞতা জানাতে এসেছি। তরুণদের সমর্থন দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ দিদি'।
অভিজিতের পিঠে হাত রেখে মমতার অভয়বাণী,'এটা তো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব'।
পাশে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা
গত ১৬ অক্টোবর অভিজিৎ দীপকেকে পাকড়াও করেছিল দিল্লি পুলিশ। সেবার অভিজিতের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্সে মমতা লিখেছিলেন,'ভারতের জাতীয় পতাকা হাতে নেওয়ার অপরাধে আটক অভিজিৎ দীপকেকে। স্বাধীন ভারতে আজ গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের জন্য আটক হতে হচ্ছে দেশের তরুণ প্রজন্মকে। যা কার্যত অঘোষিত জরুরি অবস্থার। ভিন্নমতকে ভয় পায় সরকার। ওরা এখন গোটা প্রজন্মকে ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। বিরোধী কণ্ঠস্বরকে নিয়ন্ত্রণ করা, সহ্য করতে না পারাই ফ্যাসিবাদী শাসনের লক্ষণ। অভিজিৎ, আশুতোষ, সৌরভ ভারতের যুবসমাজের সাহস, বিবেক ও আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। কণ্ঠরোধ করে স্তব্ধ করা যায় না। তোমাদের দিদি দৃঢ়ভাবে পাশে রয়েছে। ভয় দেখিয়ে, আটক করে বা ক্ষমতার অপব্যবহার করে গণতন্ত্রের চেতনাকে দমিয়ে রাখা যাবে না'।