CJP Funding: US থেকে ফান্ডের জোগান পাচ্ছে CJP? জনপ্রিয় মার্কিন গায়িকার গুরুতর দাবি

বিখ্যাত আমেরিকান গায়িকা মেরি মিলবেন ককরোচ জনতা পার্টি এবং তার প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযোগ আনলেন। CJP-কে ফান্ডিং করে আমেরিকার কিছু বিনিয়োগকারী, দাবি গায়িকার।

Advertisement
US থেকে ফান্ডের জোগান পাচ্ছে CJP? জনপ্রিয় মার্কিন গায়িকার গুরুতর দাবিCJP ফান্ডিং আমেরিকা থেকে?
হাইলাইটস
  • মেরি মিলবেন ককরোচ জনতা পার্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন
  • CJP-কে ফান্ডিং করে আমেরিকার কিছু বিনিয়োগকারী
  • বড়সড় দাবি করলেন মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী

বিখ্যাত আমেরিকান গায়িকা মেরি মিলবেন ককরোচ জনতা পার্টি এবং তার প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযোগ আনলেন। তিনি দেশের যুবকদের অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মেরি মিলবেনের অভিযোগ, আমেরিকান কিছু বিনিয়োগকারীরা ভারতে মোদী-বিরোধী শক্তিগুলিকে অর্থ জোগাচ্ছে। 

মেরির মতে, আমেরিকার এই বিনিয়োগকারীরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরোধী অভিজিৎ দীপকে ও তাঁর  দলকে অর্থ জুগিয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, তারা ভারতের ব্যবস্থাকে ব্যাহত করতে চায়। ভারতের উন্নয়নকে বাধা দিতেই এই প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই গায়িকা তরুণদের সতর্ক করে বলেছেন, 'ভারতে মোদী বিরোধী কর্মীদের আমার দেশ থেকেই অর্থ জোগানো হচ্ছে।' মেরির এই বক্তব্য ভারতের বর্তমান বিক্ষোভের নেপথ্যের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। 

 ককরোচ জনতা পার্টি বর্তমানে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে। তারা নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং SIR-এ অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে এবং তাঁর পদত্যাগ দাবি করেছে। CJP ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে একটি বিক্ষোভের ঘোষণা করেছিল। তবে অনুমতির অভাব এবং পুলিশি তৎপরতার কারণ তা সম্ভব হয়নি। অভিজিৎ এবং তাঁর দলের কর্মীদের আটক করা হয়। পুলিশি তৎপরতার পর সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে ৫ দিনের জন্য বিচার বিভাগীয় হেফাজতে তিহাড় জেলে পাঠানো হয়। 

কয়েক মাস আগে, ককরোচ জনতা পার্টি NEET পরীক্ষার কারচুপির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। দেশব্যাপী বিক্ষোভে তারকারাও অংশ নিয়েছিলেন। প্রকাশ রাজ, শাবানা আজমি এবং স্বরা ভাস্কর সহ অনেক তারকা অভিজিৎ দীপকেদের সমর্থন করেছেন। CJP-র সাম্প্রতিক বিক্ষোভেও তারকাদের সমর্থন পাওয়া গিয়েছে। মুম্বইতে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অনেক তারকা অংশ নিয়েছিলেন। আমির খানের ভাগ্নে ইমরান খানও এতে যোগ দিয়েছিলেন। পুলিশ অন্যান্য বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ইমরানকেও আটক করে। এই বিক্ষোভের পর মার্কিন নাগরিক ইমরানকে দেশ থেকে বিতাড়িত করার দাবিও উঠতে শুরু করে। 

 

POST A COMMENT
Advertisement