Abhijeet Dipke: 'ভাই, কেন দেশটাকে নষ্ট করছেন?' দিল্লি বিমানবন্দরে বিক্ষোভের মুখে অভিজিৎ দীপকে

দিল্লি বিমানবন্দরে ক্ষোভের মুখে পড়লেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বিমানবন্দরের ভিতরে অভিজিৎকে ঘিরে কয়েকজন চিৎকার করছেন। তাঁকে উদ্দেশ্য করে এক ব্যক্তিকে বারবার বলতে শোনা যায়, ‘ভাই, আপনি দেশকে কেন নষ্ট করছেন?'

Advertisement
 'ভাই, কেন দেশটাকে নষ্ট করছেন?' দিল্লি বিমানবন্দরে বিক্ষোভের মুখে অভিজিৎ দীপকেদিল্লি বিমানবন্দরে অভিজিৎ দীপকে
হাইলাইটস
  • ‘ভাই, আপনি দেশকে কেন নষ্ট করছেন?'
  • দিল্লি বিমানবন্দরে ক্ষোভের মুখে অভিজিৎ দীপকে
  • অভিজিৎকে ঘিরে কয়েকজন চিৎকার করছেন

দিল্লি বিমানবন্দরে ক্ষোভের মুখে পড়লেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তাঁকে ঘিরে উত্তেজনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বিমানবন্দরের ভিতরে অভিজিৎকে ঘিরে কয়েকজন চিৎকার করছেন। তাঁকে উদ্দেশ্য করে এক ব্যক্তিকে বারবার বলতে শোনা যায়, ‘ভাই, আপনি দেশকে কেন নষ্ট করছেন? কেন দেশকে নষ্ট করছেন?’ ভিডিওর অন্য একটি অংশে একটি গাড়ির কাছে হইচইয়ের মধ্যে কয়েকজনকে ‘চোর, চোর’ বলেও স্লোগান দিতে শোনা যায়। তবে অভিজিৎকে যাঁরা ঘিরে ধরেছিলেন, তাঁদের পরিচয় এখনও স্পষ্ট নয়।

CJP কর্মী সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা এবং অজিঙ্ক্য শিন্ডেকে দিল্লিতে আটক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মধ্যেই এই ঘটনা। ১৬ অক্টোবর দিল্লিতে তেরঙ্গা উত্তোলনের ডাক দিয়েছে CJP। কর্মীদের আটকের প্রতিবাদে এবার দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে চান অভিজিৎ দীপকে। তাঁর অভিযোগ, শুধুমাত্র জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার কারণেই জেলে পাঠানো হয়েছে সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি পোস্ট করে অভিজিৎ লিখেছেন, ‘লেহরা দো তেরঙা’। আগামী ১৬ অক্টোবর বিকেল ৫টায় দেশপ্রেমী এবং জাতীয় পতাকাকে যাঁরা ভালোবাসেন, তাঁদের সকলকে সেন্ট্রাল পার্কে উপস্থিত হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। অভিজিৎ বলেন, ‘আপনারা সকলেই জানেন, শুধুমাত্র তেরঙা উত্তোলন করার জন্য সৌরভ এবং আশুকে জেলে পাঠানো হয়েছে। তাই আমি সমস্ত দেশপ্রেমী এবং জাতীয় পতাকাকে যাঁরা ভালোবাসেন তাঁদের প্রত্যেকের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, ১৬ অক্টোবর বিকেল ৫টায় পতাকা নিয়ে কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে জড়ো হন। আমরা সেখানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করব এবং দেখিয়ে দেব যে তেরঙা ওড়ানো কোনও অপরাধ নয়।’

যাঁরা দিল্লিতে যেতে পারবেন না, তাঁদেরও নিজেদের শহরে সন্ধ্যায় ‘তেরঙা মার্চ’ আয়োজন করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ‘তেরঙা আমাদের গর্ব, পতাকা উত্তোলন অপরাধ নয়’ শীর্ষক পোস্ট করে অভিজিৎ দীপকে জাতীয় পতাকাকে দেশের গর্ব বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘এই মানুষগুলোকে, এই স্বৈরাচারীদের বুঝতে দিন যে আমাদের তেরঙ্গা আমাদের গর্ব এবং এই পতাকা উত্তোলন করা কোনও অপরাধ নয়।’

Advertisement

এই কর্মসূচির ডাক দেওয়ার পর তাঁকে জেলে যেতে হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অভিজিৎ। তবে তাতে তিনি চিন্তিত নন বলে জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘এর পরে আমাকে জেলে পাঠানো হতে পারে, কিন্তু তা নিয়ে আমি চিন্তিত নই। তেরঙা আমার গর্ব এবং আমি অবশ্যই জাতীয় পতাকা উত্তোলন করব।’

কেন আটক CJP-র ৩ কর্মী?
এর আগে মঙ্গলবার দিল্লি পুলিশ CJP কর্মী আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস এবং অজিঙ্ক্য শিন্ডেকে আটক করে। অভিযোগ, তাঁরা নিষিদ্ধ প্রতিবাদস্থল হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পরেও যন্তর মন্তরে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন এবং পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন।

মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরের প্রতিবাদস্থলে জড়ো হয়েছিলেন CJP-র কর্মীরা। প্রতিবাদ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই নিরাপত্তারক্ষীরা সেখানে পৌঁছন এবং বিক্ষোভকারীদের আটক করে এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।

এই আটকের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় X-এ অভিজিৎ লেখেন, ‘আজ ভোরে তেরঙা নিয়ে যন্তর মন্তরে ঢুকেছিলেন ককরোচেস। পরে তাঁদের দিল্লি পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস এবং অজিঙ্ক্য-সহ দলের অন্য সদস্যদের আটক করা হয়েছে। আপনারা @narendramodi, প্রতিরোধকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারবেন না।’

অন্যদিকে, আটকের পর X-এ ‘হ্যান্ডস অফ যন্তর মন্তর’ লিখে পোস্ট করেন আশুতোষ রাঙ্কাও।
যন্তর মন্তরে CJP কর্মীদের আটক এবং তার পরেই কনট প্লেসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ডাক, এই দুই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে CJP-র প্রতিবাদ কর্মসূচি।

 

POST A COMMENT
Advertisement