অভিজিৎ দীপকে দিল্লিতে যখন ফ্লাইটের ভিতর থেকে আটক হলেন অভিজিৎ দীপককে, তখন তাঁর পরিবারে নেমে এল দুঃসংবাদ। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তাঁর ঠাকুমা সাবিত্রীবাঈ শঙ্কর দীপকে।
জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন অভিজিৎ দীপকের ঠাকুমা। বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি জেলার সান্তুক পিম্পরি গ্রামে বসবাস করতেন। সেখানেই শনিবার তাঁর প্রয়াণ ঘটে।
বর্তমানে দিল্লি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা। দিল্লিতে পা-ও রাখতে দেওয়া হয়নি তাঁকে। যন্তর মন্তর অভিযানে যোগ দেওয়ার আগে ফ্লাইটের ভিতর থেকেই তাঁকে নিয়ে গিয়েছে দিল্লি পুলিশ। অজ্ঞাত লোকেশনে রাখা হয়েছে অভিজিতকে। ফলত অনুমান করা হচ্ছে, ঠাকুমার মৃত্যুসংবাদটুকুও পাননি তিনি।
একদিকে যখন অভিজিৎ দীপকে ভোটচুরি এবং জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পথে নেমেছেন, তখনই তাঁর পরিবারে নেমে এল শোকের ছায়া। অভিজিৎ দীপকের বাবা ভগবান দীপকে ও মা অনিতা এই মুহূর্তে ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে রয়েছেন। তাঁদের বাড়ির চারপাশে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল পুলিশ বাহিনী। তবে এই মৃত্যুসংবাদ পেয়ে তাঁরা অবিলম্বে হিংগোলির উদ্দেশে রওনা হন।
প্রসঙ্গত, শনিবার দিল্লি বিমানবন্দরে বিমান অবতরণের পরই এয়ারক্র্যাফ্টের ভিতর ঢুকে পড়ে দিল্লি পুলিশের একটি টিম। সেখান থেকেই আটক করা হয় অভিজিৎ দীপকে সহ ৩ জনকে। পুলিশকে অভিজিৎ বলেন, 'আমি তো এখানে গ্রেফতার হতেই এসেছি। গ্রেফতার করে নিন আমায়।' পুলিশ উত্তরে বলে, 'এটা গ্রেফতারি নয়। আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করুন দয়া করে।'