বাড়ি থেকে বের হতেই আটক দীপকে।বাড়ি থেকে বেরোতেই আটক অভিজিৎ দীপকে। কনট প্লেসে তেরঙ্গা মিছিলে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন CJP প্রধান। এদিন সকালেই অভিজিৎ দীপকেকে নোটিস ধরিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। তাতে তাঁকে তেরঙ্গা মিছিলে যোগ দিতে বারণ করা হয়েছিল। যদিও তার কয়েক ঘণ্টা বাদেই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন অভিজিৎ। কনট প্লেসের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময়েই তাঁকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। আটক হওয়ার আগে অভিজিৎ বলেন, তিনি একাই রয়েছেন। একাই মিছিলে যোগ দিতে যাচ্ছেন।
আটক নেহা বোরা
অভিজিৎ দীপকের পর এবার নেহা বোরাকেও আটক করল দিল্লি পুলিশ।
কী বলছে দিল্লি পুলিশ?
এনসিপি-এসসিপি-র মুখপাত্র অনীশ গাওয়ান্ডের বাসভবন থেকে বেরোনোর পরেই অভিজিৎকে আটক করা হয়। দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার তথা জনসংযোগ আধিকারিক রাজীব রঞ্জন জানিয়েছেন, এই বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে কেউ আসেননি। কোনও নির্দিষ্ট তালিকা নিয়েও পুলিশের কাছে কোনও তথ্য বা অনুরোধ জমা পড়েনি।
জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নিয়ম ‘ফ্ল্যাগ কোড’-এ স্পষ্ট করে দেওয়া রয়েছে। প্রত্যেক নাগরিককে সেই নিয়ম মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, পুলিশকর্মী বা অন্য কোনও ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করা নিয়েও সতর্ক করেছে দিল্লি পুলিশ। পুলিশের দাবি, কিছু অ্যাকাউন্টে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের ছবি ও ভিডিয়োর সঙ্গে তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্যও ছড়ানো হচ্ছে। এমন কাজ অনুচিত এবং বেআইনি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আগেও আটক হয়েছিলেন অভিজিৎ
এর আগে দিল্লি বিমানবন্দর থেকেও অভিজিৎকে আটক করেছিল পুলিশ। সেই ঘটনায় তাঁকে আদালতে হাজির করানো হয়। ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত শান্তির বন্ডে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। এক বছর শান্তি বিঘ্নিত না করার শর্তেও তাঁকে বন্ডে সই করতে হয়েছিল।
তবে তাতেও মিছিলের কর্মসূচি থেকে পিছিয়ে আসেনি CJP। দলের তরফে সমর্থকদের পাঁচ জনের কম দলে কনট প্লেসে যাওয়ার, জাতীয় পতাকা হাতে ছবি তোলার এবং তার পর সেখান থেকে চলে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। ‘#LehraDoTiranga’ হ্যাশট্যাগে দলের দাবি, জাতীয় পতাকা ওড়ানো অপরাধ নয়।
দু'টি নোটিস পুলিশের
সূত্রের খবর, অভিজিৎকে শুক্রবার দুটি নোটিস দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। একটি নোটিসে দিল্লি পুলিশ আইনের আওতায় তাঁকে সেন্ট্রাল পার্কে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। অন্য নোটিসটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লি পুলিশের দেওয়া।