প্রতীকী ছবি এক আধজন নয়, ৩৫ জন ছাত্র ছাত্রীর কব্জি কাটা ব্লেড দিয়ে। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য স্কুলে। অভিভাবকদের অভিযোগ, এমন ঘটনার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ দায়ি। কীভাবে ছেলে-মেয়েরা ক্লাসরুমের ভিতর ব্লেড নিয়ে যাচ্ছে, তা নিয়ে তদন্ত দরকার।
এদিকে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। কেন ৩৫ জন হাত কেটেছে, তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল- তা এখনও বুঝে উঠতে পারছেন না পুলিশকর্তারা। তবে ঘটনাটি যে উদ্বেগজনক তা মেনে নিয়েছে প্রশাসন।
ছত্তিশগড়ের ওই গ্রামের স্কুলে অনেকেই লেখাপড়া করে। অভিভাবকদের অভিযোগ, স্কুল চত্বরের মধ্য়েই ব্লেড দিয়ে হাত কাটছে ছেলে মেয়েরা। প্রায় মাসখানেক ধরে এমনটা চলছে। কয়েকদিন আগে গোটা বিষয়টা নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হয় অভিভাবকরা।
যারা হাত কেটেছে তারা সবাই ক্লাস সিক্স থেকে এইটের পড়ুয়া। ২১ জন ছেলে ও ১৪ জন মেয়ে। প্রত্যেকের কব্জিতেই ব্লেডে কাটার একাধিক দাগ পাওয়া যায়। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি এই নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করেছিলেন অভিভাবকরা।
তাঁদের অভিযোগ, ক্যাম্পাসের ভিতর শিক্ষার্থীরা ব্লেড নিয়ে এসেছে দিনের পর দিন। অথচ তা খেয়াল করেনি কর্তৃপক্ষ। এরপর অভিভাবকদের সঙ্গে মিটিংও করে স্কুলের শিক্ষকরা। তাদের তরফে দাবি করা হয়, মিটিংয়ের পর স্কুলের নিরাপত্তায় বাড়তি নজর দেওয়া হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীরা কী নিয়ে স্কুলে আসছে বা যাচ্ছে তার উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে।
এই ঘটনা নিয়ে জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, '১৩ ফেব্রুয়ারি আমরা যখন ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পারি, তখন আমরা এর অংশ হওয়া শিক্ষার্থীদের কাউন্সেলিং করানোর জন্য একটি দল পাঠিয়েছিলাম। আমরা অভিভাবকদের মোবাইল ফোনও পরীক্ষা করেছিলাম। ঘটনার সঙ্গে গেমিং অ্যাপ জড়িত নয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, কোনও একজনকে দেখে বাকিরাও নিজেদের হাত কেটেছে।