CJP on Narendra Modi: 'শুধু ধর্মেন্দ্র প্রধান নন, এবার ক্ষোভের মুখে মোদী', বিস্ফোরক দাবি CJP-র

এতদিন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি করে এসেছে ককরোচ জনতা পার্টি। তবে এবার তাদের ক্ষোভ ধীরে ধীরে পৌঁছে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দিকে। তেমনই ইঙ্গিত দিলেন দলের মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা।

Advertisement
'শুধু ধর্মেন্দ্র প্রধান নন, এবার ক্ষোভের মুখে মোদী', বিস্ফোরক দাবি CJP-রএবার সিজেপির আক্রমণের মুখে নরেন্দ্র মোদী?
হাইলাইটস
  • এতদিন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি করে এসেছে ককরোচ জনতা পার্টি
  • এবার তাদের ক্ষোভ ধীরে ধীরে পৌঁছে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দিকে
  • তেমনই ইঙ্গিত দিলেন দলের মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা

এবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই টার্গেট ককরোট জনতা পার্টির? অন্তত দলের মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কার বক্তব্যে সেই ইঙ্গিতই মিলল। 

ইন্ডিয়া টুডের রাজদীপ সরদেশাইকে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে রাঙ্কা দাবি করেন, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে দেশের মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। তাঁর মতে, এখন পরিস্থিতি অনেকটা ‘টাইম বোমা’-র মতো। এটা যে কোনও সময় আরও বড় আকার নিতে পারে। এমনকী এই আন্দোলনের দাবি আগামিদিনে শুধু কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

রাঙ্কার বক্তব্য, 'এটি একটি টিকটিক করা টাইম বোমা। এই বিষয়টি সপ্তাহের পর সপ্তাহ বা মাসের পর মাস টেনে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। কারণ গোটা দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলছে।'

তাঁর আরও দাবি, সরকার যত দেরি করবে, মানুষের ক্ষোভ ততই বাড়বে। এখন সেই ক্ষোভ ধীরে ধীরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দিকেও ঘুরছে। সরকারকে বুঝতে হবে, খুব শীঘ্রই এই আন্দোলন শুধু ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না।

রাঙ্কা জানান, আন্দোলনকারীদের অন্যতম দাবি হল নিট বিতর্কে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া। সেই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলি প্রত্যাহার করা। আর সরকারের সঙ্গে আলোচনাতেও এই দুই দাবি তুলে ঘরা হয় বলে জানান তিনি। তবে তাঁরা যে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি থেকে কোনওভাবেই সরে আসবেন না, সেটাও স্পষ্ট করেন।

যদিও তিনি দাবি করেন, সরকারের প্রতিনিধিদল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেয়নি। উল্টে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে তুলে ধরা হবে বলেও তাঁদের জানানো হয়েছে।

এই সাক্ষাৎকারেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাঙ্কা। তাঁর প্রশ্ন, 'বিক্ষোভ শুরু হওয়ার ৪৫ দিন পরে এবং নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রায় দু'মাস পরে প্রধানমন্ত্রী সক্রিয় হলেন। এত দেরি কেন করলেন তিনি?'

রাঙ্কা আরও জানান, আন্দোলনকারীরা শুধু জবাবদিহি চায় না, বরং তারা পরীক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারও চায়। আর এই কাজটা বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী পদে থাকলে সম্ভব নয় বলে মনে করেন তিনি।

Advertisement

আশুতোষ রাঙ্কা আরও দাবি করেন, এই আন্দোলন এখন আর শুধু ককরোচ জনতা পার্টির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। দেশজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ চলছে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। 


 

 

POST A COMMENT
Advertisement