তারেক-এর শপথ অনুষ্ঠানে থাকবেন মোদী? নতুন সূচনার পথে বাংলাদেশে। দীর্ঘ দেড় বছর পর বাংলাদেশের জনগণ পাচ্ছে নির্বাচিত সরকার। দুই- তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিএনপি। কোনও সন্দেহ নেই যে, প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন খালেদাপুত্র তারেক রহমানই। শোনা যাচ্ছে, আগামী সোমবার বা মঙ্গলবারের মধ্যে শপথ গ্রহণ করতে পারেন তিনি। তবে তার চেয়েও বড় খবর, BNP-এর এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ থাকতে পারে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীরও।
সূত্রের মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, BNP-এর তরফে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণের কথা ভাবা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ওই আমন্ত্রণে সাড়া দিলে ঢাকায় দেখা যেতে পারে PM নরেন্দ্র মোদীকে। সূত্রের মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, BNP-এর তরফে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণের কথা ভাবা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ওই আমন্ত্রণে সাড়া দিলে ঢাকায় দেখা যেতে পারে PM নরেন্দ্র মোদীকে। তবে সূত্রের দাবি, শুধুমাত্র নরেন্দ্র মোদী নন, প্রতিবেশী সব দেশের প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টদের কাছেই আমন্ত্রণ পাঠাতে পারে BNP।
উল্লেখ্য, গতকাল বাংলাদেশে ভোটের ফলের ট্রেন্ড স্পষ্ট হতেই তারেক রহমানের সঙ্গেই ফোনে কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে গোটা বিষয়টা খোলসা করেন নমো। সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদী জানান, "তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলে আনন্দিত। বাংলাদেশের নির্বাচনে অসাধারণ জয়ের জন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাই। বাংলাদেশের জনগণের আশা-আকাঙ্খা পূরণে তার প্রচেষ্টায় আমি আমার শুভেচ্ছা ও সমর্থন জানাই। ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কযুক্ত দুই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের দুই দেশের শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির প্রতি ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"
আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই ফোনালাপ এবাং তারপরেই BNP-এর তরফে আমন্ত্রণের পরিকল্পনাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েই দেখছেন। বিশেষজ্ঞদের দাবি, দু'তরফের বার্তাতেই পরিষ্কার যে উভয়েই সুসম্পর্ক বজায় রাখতে উদ্যোগী। এবার এই কৃটনৈতিক প্রচেষ্টা কতখানি সফল হল? হাসিনা পরবর্তী আমলে তারেকের বাংলাদেশ কি, ভারতের বন্ধু হয়ে উঠতে পারে? তা সময় বলবে।