সরকারি গাড়ির অপব্যবহার রুখতে বড় পদক্ষেপ, 'এক অফিসার, এক সরকারি গাড়ি' নীতি চালু কেন্দ্রের

নির্দেশে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে, কেন্দ্রের আধিকারিকরা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা স্বশাসিত সংস্থা বা আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানের গাড়িও ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে সরকারি কাজে বা সরকারি সফরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গেলে প্রয়োজনে সেই প্রতিষ্ঠানের গাড়ি ব্যবহার করা যেতে পারে।

Advertisement
সরকারি গাড়ির অপব্যবহার রুখতে বড় পদক্ষেপ, 'এক অফিসার, এক সরকারি গাড়ি' নীতি চালু কেন্দ্রের এক অফিসার এক গাড়ি নীতি চালু
হাইলাইটস
  • এই নতুন নিয়ম কঠোরভাবে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সমস্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রক ও দফতরকে
  • পাশাপাশি, যেসব সরকারি গাড়ি ব্যবহার হচ্ছে না, সেগুলি নিরাপদ স্থানে রেখে অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার বন্ধ রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

সরকারি গাড়ির অপব্যবহার রুখতে এবং সরকারি খরচ কমাতে 'এক অফিসার, এক সরকারি গাড়ি' নীতি চালু করল কেন্দ্র সরকার। অর্থ মন্ত্রকের ব্যয় বিভাগ এই নিয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে। জানানো হয়েছে, কোনও আধিকারিকের কাছে আগে থেকেই একটি সরকারি গাড়ি থাকলে অতিরিক্ত দায়িত্ব পেলেও তাঁকে আর দ্বিতীয় সরকারি গাড়ি দেওয়া হবে না।

অর্থ মন্ত্রকের নির্দেশে বলা হয়েছে, কোনও আধিকারিক যদি অন্য কোনও মন্ত্রক, দফতর, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বা স্বশাসিত সংস্থার অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেন, তবুও তাঁর জন্য দ্বিতীয় সরকারি গাড়ির ব্যবস্থা করা হবে না। অর্থাৎ, একজন আধিকারিকের জন্য শুধুমাত্র একটি সরকারি গাড়িই বরাদ্দ থাকবে।

এই নতুন নিয়ম কঠোরভাবে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সমস্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রক ও দফতরকে। পাশাপাশি, যেসব সরকারি গাড়ি ব্যবহার হচ্ছে না, সেগুলি নিরাপদ স্থানে রেখে অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার বন্ধ রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে, কেন্দ্রের আধিকারিকরা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা স্বশাসিত সংস্থা বা আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানের গাড়িও ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে সরকারি কাজে বা সরকারি সফরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গেলে প্রয়োজনে সেই প্রতিষ্ঠানের গাড়ি ব্যবহার করা যেতে পারে।

ব্যয় বিভাগ জানিয়েছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জারি হওয়া নির্দেশিকাকে আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এটি সমস্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রক ও দফতরে পাঠানো হয়েছে, যাতে গোটা কেন্দ্রীয় প্রশাসনে একই নিয়ম কার্যকর হয়।

সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য সরকারি সম্পদের সুষ্ঠু ও বিচক্ষণ ব্যবহার নিশ্চিত করা, একজন আধিকারিকের নামে একাধিক সরকারি গাড়ি বরাদ্দের প্রথা বন্ধ করা এবং প্রশাসনকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করে তোলা। এর ফলে অপ্রয়োজনীয় গাড়ি বরাদ্দ বন্ধ হবে, জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ কমবে এবং জনসাধারণের অর্থ আরও দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
 

POST A COMMENT
Advertisement