চার বিভাগের দুর্নীতি নিয়ে NCERT-র চ্যাপ্টারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রধান বিচারপতিরNCERT-এর অষ্টম শ্রেণির বইতে 'বিচার বিভাগের দুর্নীতি'র উল্লেখ, আর সেই প্রসঙ্গে এবার কড়া অবস্থান নিল সুপ্রিম কোর্ট। বিচার ব্যবস্থার ভূমিকা বর্ণনার আড়ালে ‘দুর্নীতি’র প্রসঙ্গ উল্লেখ কোনওভাবেই বরদাস্ত হবে না বলে জানানো হয়েছে। বিষয়টিকে লঘু করে না দেখে, বরং 'পরিকল্পিত পদক্ষেপ' হিসেবে দেখছে দেশের সর্বোচ্চ ন্য়ায়ালয়।
বুধবার NCERT-র অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ‘সমাজে বিচার ব্যবস্থার ভূমিকা’ শীর্ষক অধ্যায় নিয়ে ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। একইসঙ্গে এই মামলাটি নিয়ে সুয়ামোটো পদক্ষেপ করার ভাবনা চিন্তাও করছেন বলে জানান সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি।
স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা জানিয়ে সূর্য কান্ত জানান, দেশের বিচারবিভাগকে জনসমক্ষে এভাবে ছোট করা একটি ‘পরিকল্পিত পদক্ষেপ।’ তা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা যাবে না।
এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেছেন, ‘দয়া করে কয়েকদিন অপেক্ষা করুন। এটা সমগ্র প্রতিষ্ঠানের জন্য উদ্বেগজনক। বার ও বেঞ্চ সকলেই উদ্বিগ্ন। এছাড়াও হাইকোর্টের সব বিচারপতিও উদ্বিগ্ন। আমি নিজেও প্রচুর ফোন ও মেসেজ পাচ্ছি। সুয়ামোটো হিসেবে গ্রহণ করব। কাউকে প্রতিষ্ঠানের মানহানি করতে দেব না। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।’
উল্লেখ্য, বুধবার সকালে সিনিয়র অ্যাডভোকেট কপিল সিব্বল আদালতে বিষয়টি উত্থাপন করে বলেন, স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে "বিচার বিভাগীয় দুর্নীতি"র মতো অধ্যায় থাকার বিষয়ে বারের সিনিয়র সদস্যরা খুবই বিরক্ত। আইনজীবীর এই প্রসঙ্গ উত্থাপনের পরেই বিষয়টি নিয়ে প্রথমবার বক্তব্য রাখলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি।
অন্যদিকে, বইটির ওই চ্যাপ্টারটি নিয়ে জলঘোলা হতেই বাজারে বর্তমানে আর বইটি পাওয়া যাচ্ছে না বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। যে পড়ুয়ারা আগে কিনে ফেলেছিলেন তাঁরা ছাড়া, বাজারে আর নতুন করে এই বইটি পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি অনলাইনেও বইটি কেনা যাচ্ছে না।