অভিজিত্ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা - পিটিআই ফাইল ছবিককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে ৫ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। দুজনকেই রাখা হচ্ছে তিহার জেলে। দিল্লি পুলিশের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র সরব হলেন CJP-র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত্ দীপকে। তাঁর প্রশ্ন, ওরা কী অপরাধ করল? এক্স হ্যান্ডেলে অভিজিত্ দীপকে লিখলেন, 'আশু ও সৌরভকে ৫ দিনের জন্য জেল হেফাজতে পাঠানো হল। ওদের অপরাধ কী? যন্তর মন্তরে তিরঙা পতাকা ওড়ানো অপরাধ?'
আমাদের এবং INDIA ব্লকের উদ্দেশ্য একই: দীপকে
CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের বক্তব্য, তাঁদের এবং ইন্ডিয়া ব্লকের লক্ষ্য একই। CJP একটি স্বাধীন সংগঠন এবং তা সর্বদাই থাকবে। এর অর্থ এই নয়, CJP ইন্ডিয়া ব্লকের বিরুদ্ধে। উভয় আন্দোলনের উদ্দেশ্য একই।
জামিনের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তাঁদের তিহার জেলে রাখা হবে। ৫ হাজার টাকার মুচলেকা জমা দেওয়ার পর অজিঙ্ক শিন্ডেকে মুক্তি দিয়েছে পুলিশ। তবে আগামী ছয় মাস কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না বলে তাঁকে নির্দেশ দিয়েছে এসইএম আদালত।
#WATCH | Nagpur, Maharashtra: Cockroach Janta Party (CJP) Founder Abhijeet Dipke says, "...We all have a common cause and are fighting against Gyanesh Kumar, who is rigging elections and helping Narendra Modi to stay in power...Cockroach Janta Party is an independent pressure group and it will always be an independent pressure group. But it doesn't mean that we are against the INDIA bloc. Our and the INDIA bloc's agitations are for a common cause." "No, there is nothing like that," he says when asked if CJP is getting registered as a political party.
— ANI (@ANI) October 14, 2026
পুলিশের দাবি, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা বারবার ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারা লঙ্ঘন করেছেন। তাঁদের অতীতের আচরণের কথা উল্লেখ করে পুলিশ দু’জনকে বারবার আইন ভঙ্গকারী হিসেবেও চিহ্নিত করেছে। পুলিশের বক্তব্য, জামিনের শর্ত লঙ্ঘন করায় আদালত তাঁদের পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।
যন্তর মন্তরে গেট টপকে প্রবেশ ও তেরঙা ওড়ানো
সম্প্রতি প্রতিবাদ কর্মসূচির নির্ধারিত স্থানগুলির তালিকা থেকে যন্তর মন্তরের নাম বাদ দিয়েছে কেন্দ্র। অর্থাত্ যন্তর মন্তরে কোনও রকম বিক্ষোভ, আন্দোলন করা যাবে না। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা ও অজিঙ্ক শিন্ডে-সহ সিজেপি কর্মীরা কড়া ব্যারিকেডে ঘেরা যন্তর মন্তর এলাকায় গেট টপকে প্রবেশ করেন। সেখানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন তাঁরা। পরে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। তাঁদের হাতে ছিল ভারতের পতাকা।
পরিকল্পিত প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা সম্ভব হয়নি
এর আগে শনিবার দিল্লিতে পৌঁছনোর পর অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করা হয়েছিল। কড়া নিরাপত্তার কারণে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তাঁদের পরিকল্পিত প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা সম্ভব হয়নি। পরে এক বছর শান্তি বজায় রাখা এবং কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করার শর্তে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। তবে ফের জামিনের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগ ওঠায় সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।