শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকে সায়নী, মালারা।সকালে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তারপর কংগ্রেসে তৃণমূলের বিলয় নিয়ে দিনভর জোর জল্পনা রাজ্য রাজনীতিতে। রাতের দিল্লিতেও ঘটে গেল আরও বড় ঘটনা। ঘটনাস্থল, কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবন। সেখানে উপস্থিত তৃণমূলের 'বিদ্রোহী' সাংসদরা। তাঁদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। ঘণ্টাখানেক ধরে চলল বৈঠক।
বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠকে ছিলেন তৃণমূলের প্রতিমা মণ্ডল, মালা রায়, মিতালী বাগ এবং সায়নী ঘোষ। 'নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী' হিসেবে নরেন্দ্র মোদী একটানা ১২ বছর থেকে রেকর্ড গড়লেন। সেই উপলক্ষে এনডিএ বৈঠকে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তারপর তাঁর গন্তব্য ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবন। রাত পৌনে ১১টা নাগাদ শেষ হয় ওই বৈঠক। যা প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে চলে। আগামী দিনে আরও কয়েক দফা বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা বলে সূত্রের খবর।
শুভেন্দু-সায়নীদের বৈঠকের আগেই জানা গিয়েছিল তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদের নাম। সেখানে মালা রায়ের সঙ্গে সায়নী ঘোষও রয়েছেন। সূত্র মারফত প্রকাশ্যে আসে মোট ১৯ জন বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকা। তাঁরা হলেন-
১. শত্রুঘ্ন সিন্হা (আসানসোল)
২. কাকলি ঘোষ দস্তিদার (বারাসত)
৩. জগদীশচন্দ্র বাসুনিয়া (কোচবিহার)
৪. খলিলুর রহমান (জঙ্গিপুর)
৫. ইউসুফ পাঠান (বহরমপুর)
৬. আবু তাহের খান (মুর্শিদাবাদ)
৭. পার্থ ভৌমিক (বারাকপুর)
৮. বাপি হালদার (মথুরাপুর)
৯. সায়নী ঘোষ (যাদবপুর)
১০. মালা রায় (কলকাতা দক্ষিণ)
১১. মিতালি বাগ (আরামবাগ)
১২. দীপক অধিকারী / দেব (ঘাটাল)
১৩. কালীপদ সরেন (ঝাড়গ্রাম)
১৪. জুন মালিয়া (মেদিনীপুর)
১৫. অরূপ চক্রবর্তী (বাঁকুড়া)
১৬. শর্মিলা সরকার (বর্ধমান পূর্ব)
১৭. অসিতকুমার মাল (বোলপুর)
১৮. শতাব্দী রায় (বীরভূম)
১৯. রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (হুগলি)
তবে তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, শত্রুঘ্ন সিনহা ও দেব এখনও শিবির বদল করেননি। তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই আস্থা রেখেছেন। সেক্ষেত্রে সংখ্যাটা ১৭। তৃণমূল সূত্রের দাবি, শত্রুঘ্ন ও দেব এখনও তৃণমূলেই আছেন। তথাকথিত বিজেপি আশ্রিত বিদ্রোহী নন।