রাহুল গান্ধী বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন (ছবি: এপি)কংগ্রেস সভাপতি ও রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে আবারও বিরোধী সাংসদদের লাঞ্চে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আজ ৮ অক্টোবর, দুপুর ১.৪৫ মিনিট থেকে দিল্লির কনট প্লেসের মোয়াটাস-এ অনুষ্ঠিত হচ্ছে লাঞ্চ। এই নিয়ে কনট প্লেসে টানা দ্বিতীয় দিনের বিরোধী সাংসদদের লাঞ্চ আয়োজন করা হল। আর এই লাঞ্চের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন দেশের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বিরোধী সাংসদরা এবার কী করবেন, কী সারপ্রাইজ দেবেন? সেটাই দেখতে চাইছেন অনেকে।
আসলে গত কয়েক দিন ধরেই দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ইস্যুতে উত্তপ্ত রয়েছে দিল্লির রাজনীতি। নিয়মিত বিক্ষোভ চলছে। এমন পরিস্থিতিতে ৭ অক্টোবরই বিরোধী সাংসদদের লাঞ্চে আমন্ত্রণ জানান হয়েছিল। মধ্যাহ্নভোজের পর রাহুল গান্ধী , প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সহ বেশ কয়েক জন বিরোধী সাংসদ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। তাঁরা যন্তর মন্তরের দিকে রওনা দেন। এরপর পুলিশ তাঁদের আটক করে। প্রায় দুই ঘণ্টা পর তাঁদের সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
আজকেও লাঞ্চ, এরপর কী?
আজও বিরোধী লোকসভা এবং রাজ্যসভার সাংসদদের দুপুরের খাবারে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন খাড়গে। দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে কনাট প্লেসের আউটার সার্কেল কে ১৪, মোয়াটস-এ অনুষ্ঠিত হচ্ছে মধ্যাহ্নভোজ।
এই নিয়ে টানা দ্বিতীয় দিন লাঞ্চের জন্য কনট প্লেসকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আর এটা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, কনট প্লেস যন্তর মন্তর ও নির্বাচন কমিশনের অফিসের কাছেই অবস্থিত। তাই আজকের বৈঠকের পরও বিরোধী সাংসদরা কী করবেন, সেটাই দেখার।
গতকাল কী হয়েছিল?
৭ অক্টোবর, খাড়গে বিরোধী সাংসদদের জন্য একটি মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন। এরপর রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী থেকে শুরু করে বেশ কিছু বিরোধী সাংসদ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা যন্তর মন্তরের দিকে রওনা দেন। এই সময় পুলিশ তাঁদের আটক করে। প্রায় দুই ঘণ্টা পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও আটকে থাকা নেতারা মুক্তি পান। এই বিক্ষোভের পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সহ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করাও হয়েছে। সেই সঙ্গে বিক্ষোভ চলাকালীন ধস্তাধস্তি সহ একাধিক অভিযোগ তুলেছে পুলিশ।
কী হয়েছিল পরশু?
৬ অক্টোবরও জ্ঞানেশ কুমার ইস্যুতে উত্তপ্ত হয় দিল্লি। ওই দিন রাহুল গান্ধী যন্তর মন্তরের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তাকে সেখানে থামিয়ে দেয় পুলিশ। তখন সাংসদরা আকাশবাণী ভবনের একটি গেট দিয়ে প্রবেশ করেন। আবার অন্য গেট দিয়ে বেরিয়ে আসেন। তারপর তাঁরা অন্য একটি রাস্তায় গিয়ে আরেকটি প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।