Arnab Landfall: অর্ণবের ল্যান্ডফল চলছে, উপকূলের আরও কাছে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র

Cyclone Arnab Landfall: অন্ধ্র উপকূলে ল্যান্ডফল করেছে অর্ণব। ভোর রাত থেকে শুরু হয়েছে ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া। আগামী আরও ২-৩ ঘণ্টা এই প্রক্রিয়া চলবে বলে জানানো হয়েছে।

Advertisement
অর্ণবের ল্যান্ডফল চলছে, উপকূলের আরও কাছে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রঅর্ণবের ল্যান্ডফল চলছে, উপকূলের আরও কাছে ঘূর্ণিঝড়ের চোখ
হাইলাইটস
  • পূর্বাভাস সত্যি করে বুধবার ভোরবেলাতেই ল্যান্ডফল করল ঘূর্ণিঝড় অর্ণব।
  • অন্ধ্র উপকূলে রাত প্রায় ২-৩টে নাগাদ আছড়ে পড়া শুরু করে এই অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়।
  • আগামী দু থেকে তিন ঘণ্টা ধরে স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া চলতে পারে।

পূর্বাভাস সত্যি করে বুধবার ভোরবেলাতেই ল্যান্ডফল করল ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। অন্ধ্র উপকূলে রাত প্রায় ২-৩টে নাগাদ আছড়ে পড়া শুরু করে এই অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়। তখন থেকেই অর্ণবের ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া শুরু হয়ে তা এখনও চলছে।  আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী দু থেকে তিন ঘণ্টা ধরে স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া চলতে পারে। 

আইএমডি জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বাপটলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূল অতিক্রম করতে পারে। ইয়ানামের দক্ষিণে উপকূল অতিক্রম করার সময় এটি অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবেই থাকবে। আগামী তিন ঘণ্টায় ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ স্থায়ী বায়ুর গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। ঝোড়ো হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অনকাপল্লি, বিশাখাপত্তনম, কাকিনাড়া ও কোনাসীমা জেলার একাধিক এলাকায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। বিশাখাপত্তনম, কাকিনাড়া, কোনাসীমা এবং পশ্চিম গোদাবরী জেলার প্রশাসনিক কর্তারা নিজ নিজ এলাকায় ভারী বৃষ্টি ও প্রবল হাওয়ার খবর জানিয়েছেন। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে কয়েকটি জায়গায় গাছ উপড়ে পড়েছে বলেও খবর পাওয়া গিয়েছে। রাজ্যের কয়েকটি জায়গায় আটকে পড়া মানুষজনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু। ভোর সাড়ে ৫টার আবহাওয়া বুলেটিনে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল বরাবর কার্যত একই জায়গায় অবস্থান করছে। আগামী ২ থেকে ৩ ঘণ্টা স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া চলতে পারে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, অন্তত আরও ২ ঘণ্টা এই ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া চলবে। কারণ, প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র উপকূলের অত্যন্ত কাছে অবস্থান করছে। তা এখনও স্থলভাগে ধাক্কা দেয়নি। আগামী কয়েক ঘণ্টা ধরে ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশ করবে।

 সকাল ৭টা নাগাদ IMD-এর এক আধিকারিক জানান, ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে বর্তমানে ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে। দমকা হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছচ্ছে। আগামী ২ থেকে ৩ ঘণ্টা এই তীব্রতা বজায় থাকতে পারে। তার পর ধীরে ধীরে ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি কমতে শুরু করবে। বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া চলছে। আগামী ২ থেকে ৩ ঘণ্টা এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকতে পারে। বাপটলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী এলাকায়, ইয়ানামের ঠিক দক্ষিণে ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের সম্ভাব্য স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে।

Advertisement

প্রাথমিকভাবে ঘূর্ণিঝড়টি ধীর গতিতে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। পরে এটি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। আগামী কয়েক ঘণ্টায় স্থলভাগের আরও ভিতরে প্রবেশ করে ঘূর্ণিঝড়টি ছত্তিশগড়ের দিকে এগোবে এবং ওডিশা অঞ্চলের কাছাকাছি পৌঁছবে। এর প্রভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে ভারী বৃষ্টি ও প্রবল ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দক্ষিণ ওডিশার গঞ্জাম, গজপতি, রায়গড়া, নবরংপুর, কোরাপুট ও মালকানগিরি জেলার দু-একটি জায়গায় অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এই জেলাগুলির বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

 

POST A COMMENT
Advertisement