CCTV ফুটেজে কোন গোপন রহস্য লুকিয়ে?বৃন্দাবনের প্রসিদ্ধ সাধক প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দীপক লোধির মৃত্যুর ঘটনাটি নিয়ে ক্রমে রহস্য গভীর হচ্ছে। দীপক লোধি, ওরফে রসিক দুলারি শরণ, শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে বড়া ঘাট রোডের গুরু কৃপা কুঞ্জ আশ্রমের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এই ঘটনার পর দীপককে দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। দীপকের আত্মহত্যার কারণ এখনও প্রকাশ পায়নি, তবে এই ঘটনায় একটি চাঞ্চল্যকর সিসিটিভি ভিডিও সামনে এসেছে।
দীপক লোধির আত্মহত্যার সময় রাস্তাটিতে যানবাহনের আনাগোনা ছিল। বেশ কয়েকজন সাইকেলে করে পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। ঘটনাটি ঘটে একজন সাইকেল আরোহীর ঠিক সামনে, যা তাঁকে এবং তাঁর পিছনে থাকা অন্য একজনকে চমকে দেয়। একটি চার চাকার গাড়িও পাশ দিয়ে চলে যায়। ছাদ থেকে দীপক লোধির পড়ে যাওয়ার ভিডিওটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা পুরো এলাকায় তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করে।
वृंदावन के प्रसिद्ध संत प्रेमानंद महाराज के शिष्य दीपक लोधी की मौत का CCTV सामने आया है. शुक्रवार को आश्रम की चौथी मंजिल से गिरने के बाद उनकी मौत हो गई. शव का पोस्टमार्टम कराया गया है. पुलिस जांच कर रही है.#Vrindavan #PremanandMaharaj #DeepakLodhi #Mathura #CCTV #BreakingNews pic.twitter.com/NdTveq6rNB
— Atul Kushwah (@atulkannaujvi) September 27, 2026
প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দীপক লোধির দেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, দীপক লোধি হঠাৎ ছাদ থেকে পড়ে মারা যান। এই মামলাটি বর্তমানে ব্যাপক আলোচনার বিষয়। মৃতের ভগ্নিপতি সোনু প্যাটেল জানান, পরিবারকে ঘটনাটি সম্পর্কে জানানো হয়েছে। তাঁদের বলা হয়েছিল, দীপক পড়ে গেছে এবং হাসপাতালে তাঁর অস্ত্রোপচার হবে। পরিবারটি দ্রুত প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে পৌঁছলে, সেখানে উপস্থিত লোকজন তাঁদের বাইরে বসতে বলেন। বেশ কয়েক ঘণ্টা আশ্রমের বাইরে বসে থাকার পরেও পরিবারকে ঘটনাটি সম্পর্কে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।
২০২৪ সালে দীপক প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমের সঙ্গে যুক্ত হন
সোনু প্যাটেল জানিয়েছেন, দীপক লোধি ২০২৪ সাল থেকে প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি জানান, গুরু দক্ষিণা (ত্যাগ) নেওয়ার পর থেকেই দীপককে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছিল না। যখনই পরিবারের কোনও সদস্য তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যেতেন, তাদের দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে বলা হতো। সোনু জানান যে দীপকের কোনোও মোবাইলও ফোনও ছিল না, তাই পরিবারের সঙ্গে তার কোনও যোগাযোগ ছিল না। তিনি আরও বলেন, দীপক আত্মহত্যা করেছেন নাকি তার মৃত্যু হয়েছে, সে সম্পর্কে পরিবার এখনও কোনও তথ্য পায়নি।