Delhi Building Collapse: দিল্লিতে ধুলিস্যাৎ আস্ত বিল্ডিং, পেয়িং গেস্ট থাকা পড়ুয়াদের মৃত্যুর আশঙ্কা

দিল্লিতে প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। দক্ষিণ দিল্লির সত্য নিকেতন এলাকায় আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি বহুতল। বাড়িটির ধ্বংসস্তূপের নিচে বেশ কয়েক জন আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা। তাঁদের মধ্যে একাধিক পড়ুয়াও থাকতে পারেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে।

Advertisement
দিল্লিতে ধুলিস্যাৎ আস্ত বিল্ডিং, পেয়িং গেস্ট থাকা পড়ুয়াদের মৃত্যুর আশঙ্কাদিল্লির সত্য নিকেতনে ধসে পড়ল বিল্ডিং।
হাইলাইটস
  • দিল্লিতে প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ভয়াবহ দুর্ঘটনা।
  • হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি বহুতল।
  • নিচে বেশ কয়েক জন আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা।

দিল্লিতে প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। দক্ষিণ দিল্লির সত্য নিকেতন এলাকায় আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি বহুতল। বাড়িটির ধ্বংসস্তূপের নিচে বেশ কয়েক জন আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা। তাঁদের মধ্যে একাধিক পড়ুয়াও থাকতে পারেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মোতীবাগের সত্য নিকেতনে শিব মন্দিরের কাছে। আচমকাই বহুতলটি ভেঙে পড়ে। বিকট শব্দে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দিল্লি পুলিশ এবং দমকল। শুরু হয় উদ্ধারকাজ।

দমকল সূত্রে খবর, এদিন দুপুর ১টা ৩৩ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনার খবর আসে। খবর পেয়েই একের পর এক দমকলের গাড়ি ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেয়। এখনও পর্যন্ত দমকলের ১২টি গাড়ি ঘটনাস্থলে রয়েছে। উদ্ধারকারী দল দ্রুত ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ করছে।

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ধ্বংসস্তূপ থেকে তিন থেকে চার জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে এখনও কত জন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে রয়েছেন, তা স্পষ্ট নয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বহুতলে একটি পিজি চলত। সেখানে বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে পড়াশোনা করতেন বহু পড়ুয়া। ফলে ধ্বংসস্তূপের নীচে একাধিক পড়ুয়া আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। উদ্ধারকারী দল সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই কাজ করছে।

দমকল ও উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের বিভিন্ন অংশ সরিয়ে ভিতরে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খোঁজার চেষ্টা চলছে। ভিতর থেকে ফোন আসছে বলেও স্থানীয় প্রশাসনের তরফে দাবি করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে পৌঁছন আরকে পুরমের বিধায়ক অনিল শর্মা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তিনি। পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, 'ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ওই বিল্ডিংয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে পড়ুয়ারা এসে পিজিতে থাকতেন। ঠিক কতজন সেখানে ছিলেন, তা এখনই বলা সম্ভব নয়।' 

বিধায়কের দাবি, এনডিআরএফ এবং এমসিডি-র দল ইতিমধ্যে দু’জন পড়ুয়াকে উদ্ধার করেছে। আরও কয়েক জন ভিতর থেকে ফোন করছেন বলেও জানান তিনি। ফলে এখনও ধ্বংসস্তূপের ভিতরে আরও মানুষ আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। আপাতত জোরকদমে উদ্ধারকাজ চলছে।  

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement