Delhi Judge Death Case: দিল্লিতে বাথরুমে উদ্ধার বিচারকের দেহ, স্ত্রীর সঙ্গে ঝামেলাতেই কি আত্মহত্যা?

৩০ বছর বয়সী এক বিচার বিভাগীয় আধিকারিকের (বিচারকের) দেহ মিলল দক্ষিণ দিল্লির গ্রিন পার্কের বাড়িতে। বাথরুমের ভিতর থেকে দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিকভাবে এই ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ঘটনার ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Advertisement
দিল্লিতে বাথরুমে উদ্ধার বিচারকের দেহ, স্ত্রীর সঙ্গে ঝামেলাতেই কি আত্মহত্যা?দিল্লিতে বিচারকের দেহ উদ্ধার
হাইলাইটস
  • ৩০ বছর বয়সী এক বিচার বিভাগীয় আধিকারিকের (বিচারকের) দেহ মিলল দক্ষিণ দিল্লির গ্রিন পার্কের বাড়িতে
  • বাথরুমের ভিতর থেকে দেহ উদ্ধার হয়
  • প্রাথমিকভাবে এই ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে

৩০ বছর বয়সী এক বিচার বিভাগীয় আধিকারিকের (বিচারকের) দেহ মিলল দক্ষিণ দিল্লির গ্রিন পার্কের বাড়িতে। বাথরুমের ভিতর থেকে দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিকভাবে এই ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ঘটনার ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

মৃত ব্যক্তি আমন কুমার শর্মা। তিনি উত্তর-পূর্ব দিল্লির কারকারডুমা কোর্টে District Legal Services Authority (DLSA)-এর সেক্রেটারি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর এই পদে থাকার বিষয়টি কারকারডুমা বার অ্যাসোসিয়েশন নিশ্চিত করেছে।

দিল্লি পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, আজ দুপুর প্রায় ১টা ৪৫ মিনিট নাগাদ সাফদরজং এনক্লেভ থানায় একটি কল আসে। এই ফোনটি করেছিলেন মৃতের ভগ্নিপতি শিবম। তিনি পুলিশকে জানান, 'আমার ভাই বাড়ির বাথরুমে আত্মহত্যা করেছে।'

খবর পাওয়ার পরই পুলিশের একটি দল দ্রুত গ্রিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তারপর মৃতকে বাথরুমের ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয়। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। এখনও পর্যন্ত অন্য কোনও প্রমাণ মেলেনি বলে পুলিশ জানিয়েছে। যদিও সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পরিবারের কী দাবি?
পরিবারের এক আত্মীয় মৃতের বাবার বক্তব্য উদ্ধৃত করে জানান, আগের রাতে প্রায় ১০টা নাগাদ শর্মা তাঁর বাবাকে ফোন করেছিলেন। তখন তিনি বাবাকে বলেছিলেন, 'আমি খুব সমস্যায় আছি। আমার পক্ষে বাঁচা কঠিন হয়ে পড়েছে।'

শর্মার বাবা তখন আলওয়ারে ছিলেন। তিনি সঙ্গে সঙ্গেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন। তারপর মধ্যরাতে বাড়িতে পৌঁছন।

পরিবারের দাবি, গত দু’মাস ধরে শর্মার স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সমস্যা চলছিল। তাঁদের কথায়, শর্মার স্ত্রীও একজন বিচার বিভাগীয় আধিকারিক। তাঁর বোন জম্মুতে কর্মরত একজন আইএএস অফিসার।

বাবার বক্তব্য অনুযায়ী, শর্মা তাঁকে জানিয়েছিলেন যে তিনি বাড়িতে মানসিকভাবে নির্যাতিত হচ্ছিলেন। 'নিধি মালিক বাড়ির সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। সব তাঁর ইচ্ছে মতো হয়।' তিনি নাকি বাবাকে এমনটাই বলেছিলেন।

Advertisement

পরিবার আরও অভিযোগ করেছে, যখন শর্মার বাবা তাঁর স্ত্রীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন, তখন তাঁর নম্বর ব্লক করা ছিল। বিষয়টি মেটানোর জন্য স্ত্রীর পক্ষের এক আত্মীয়কে ডাকা হলেও পরে তিনি সরে দাঁড়ান। জানান যে তিনি হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না।

ঘটনার আগে বচসা
মৃতের বাবার বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনার আগে বাড়ির ভিতর থেকে তর্ক-বিতর্ক ও চিৎকার শোনা যাচ্ছিল। শর্মা একটি ঘরে ছিলেন এবং তাঁর স্ত্রী অন্য ঘরে।

বন্ধ বাথরুমের ভিতরে দেহ উদ্ধার
পরে মৃতকে ফোনে কল করা হলে সেটি বাথরুমের ভিতর থেকে বাজতে থাকে। এরপর জানালার কাচ ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে দরজা ভেঙে খোলা হয়।

 

POST A COMMENT
Advertisement