Dharmendra Pradhan Resigns: ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা, 'আরশোলাদের' দাবি মানল মোদী সরকার

পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

Advertisement
 ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা, 'আরশোলাদের' দাবি মানল মোদী সরকারধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ

Breaking News: দেশের সবচেয়ে বড় খবর। পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বাধীন ছাত্র আন্দোলনের মূল দাবি মেনে নিল মোদী সরকার। শিক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি।

NEET-UG 2026 পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং দ্বিতীয়বার পরীক্ষার চাপে একাধিক ছাত্রের আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় ছাত্রদের আন্দোলন। দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের করা একটি মন্তব্যের জেরে জন্ম হয়েছিল ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্ম 'ককরোচ জনতা পার্টি'। প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে আমেরিকা থেকে ফিরে ছাত্রদের এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন শুরু করেন। সেই আন্দোলনের আঁচ ক্রমশ বাড়তে থাকে। তারপর সেখানে যোগদান করেন সমাজকর্মী তথা আবিষ্কারক সোনম ওয়াংচুক। তিনি শুরু করেন আমরন অনশন। দাবি ওঠে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ চাই। এছাড়াও শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং আত্মঘাতী ছাত্রছাত্রীদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য সোনমের অনশন আন্দোলনকে অন্য মাত্রা দেয়। দেশব্যাপী এর আঁচ পড়ে। রাজ্যে রাজ্যে শুরু হয় বিক্ষোভ। 

একাধিকবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে CJP নেতৃত্বের বৈঠক হয়। তবে কোনও সুরাহা মিলছিল না। মূল দাবি অর্থাৎ ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার জন্য অনড় ছিলেন ককরোচরা। সোনম ওয়াংচুককে দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তর থেকে তুলে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে দিল্লি পুলিশ। সেখানেও তিনি অনশন অব্যাহত রাখেন। ২৬ দিনের মাথায় সরকারের ৩টি আশ্বাসে তিনি অনশন তুলতে রাজি হন। 

শনিবারই তৃতীয়বারের জন্য CJP-র সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল কেন্দ্রের। কিন্তু তার আগেই প্রবল চাপের মুখে ইস্তফা দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি জানিয়েছেন, গত ১০ দিনের ঘটনায় খুবই দুঃখিত। ধর্মেন্দ্র X পোস্টে লিখেছেন, ‘ছাত্র, শিক্ষক এবং শিক্ষার সংস্কারে গত চার দশক ধরে আমি নিজেকে নিবেদন করে এসেছি। সবসময় বিশ্বাস করেছি, শক্তিশালী, দূরদর্শী শিক্ষাব্যবস্থাই একটা শক্তিশালী রাষ্ট্রের ভিত্তি হতে পারে। দেশের যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষা, অনুভূতি, ন্যায়সঙ্গত প্রত্যাশাকে আমি গভীর ভাবে শ্রদ্ধা করি। তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করা আমাদের সকলের রাজনৈতিক এবং সামাজিক অঙ্গীকার। দেশের সেবা করার সুযোগ আমি পেয়েছি, তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ।’

Advertisement

আন্দোলনে বিরাট জয় পেয়ে যন্তর মন্তরের আন্দোলন মঞ্চ থেকে উল্লাসে মেতে ওঠেন ককরোচেরা। অভিজিৎ দিপকে, 'ভয় পাবেন না। এটা গণতন্ত্র তো। গণতন্ত্রে নিজের কথা বলতে ভয় কেন? এদের লাইনে রাখতে হবে। এরা নিজেদের বাদশা ভেবে ফেলেছিলেন, তা হতে দেওয়া যাবে না।' তিনি আরও বলেন, 'আমরা ককরোচ, একবার ঢুকলে সহজে বেরোই না। ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা তো হয়ে গেল, কিন্তু আমাদের আরও ২টো দাবি রয়েছে। আত্মঘাতী ছাত্রছাত্রীদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দিতে হবে। ২০ জুলাই যে সকল পুলিশ আমাদের উপর লাঠিচার্জ করেছেন, তাদের শাস্তি দিতে হবে। যদি মন্ত্রীর ইস্তফা ছিনিয়ে নিতে পারি, তাহলে এটাও পারব। বলেছিল, এই সরকার ইস্তফা দেয় না। খুব জেদি নাকি এরা।' জোরদলায় যন্তর মন্তর থেকে তিনি বলেন, 'ঝুঁকতি হ্যায় ইয়ে দুনিয়া, ঝুঁকনেওয়ালা চাহিয়ে।'

 

POST A COMMENT
Advertisement