
ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করল দিল্লি পুলিশ। শনিবার সকাল ৮টা নাগাদ পুলিশের পড় অ্যাকশন। গুরুগ্রাম থেকে তাঁকে আটক করা হয়েছে বলে খবর।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ককরোচ জনতা পার্টির। অভিজিৎ দীপকেদের আহ্বানে দেশজুড়ে অসংখ্য তরুণ-তরুণী এই আন্দোলনে যোগদান করতে যন্তর মন্তরের দিকে সকাল থেকেই অগ্রসর হচ্ছেন। বামপন্থী ছাত্র-যুব সংগঠনগুলিও সামিল হয়েছে এই প্রতিবাদে। সঙ্গে জার্মানি থেকে এসে যোগ দিয়েছেন ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিও। তাঁর সমর্থন আন্দোলনকে অন্য মাত্রা দিয়েছে বলেই মত অনেকাংশের।ইউটিউবারকে আটক করার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে CJP। তাদের বক্তব্য, 'সরকার আতঙ্কিত। তরুণ প্রজন্মের প্রশ্নে ভয়ে কাঁপছে তারা। কিন্তু তরুণ প্রজন্ম চুপ করে বসে থাকবে না।'
গত বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে SIR-এর বিরুদ্ধে বড়সড় বিক্ষোভে সামিল হয়েছিল CJP। সেখানে প্রথম প্রকাশ্যে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তুলে সামিল হতে দেখা যায় এই ইউটিউবারকে।
বেঙ্গালুরুর সভায় ভোটচুরির অভিযোগ প্রসঙ্গে ধ্রুব রাঠিকে বলতে শোনা যায়, 'পশ্চিমবঙ্গের ভোটের আগে এমন ৭০ হাজার ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। তাঁরা ভোট দিতে পারেননি। কিন্তু যেই ভোট হয়ে গিয়েছে, তাঁদের ফের ভোটার তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এটা ভাবা যায়? যোগ্য ভোটার আগে তালিকায় ছিলেন, পরে তালিকায় যুক্ত হলেন, অথচ ভোটটাই দিতে পারলেন না।' তাঁর বক্তব্য, ‘আমি কোনও পার্টির হয়ে বলছি না। আপনি যে কোনও পার্টিকে ভোট দিতে পারেন, তবে আপনারও এই বিষয়টি নিয়ে ভাবা উচিত। যাঁরা জ্ঞানেশ কুমারের মতো বিশ্বাসঘাতককে এখনও বাঁচানোর চেষ্টা করছেন, তাঁদের থেকে বড় দেশদ্রোহী কেউ নয়।’
এদিন রাজধানীর রাস্তায় ৪০ হাজারের বেশি নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ধরপাকড় শুরু হয়ে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৫০ ককরোচ আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। এমনকী দিল্লির বিভিন্ন হোটেল, গেস্ট হাউস, হস্টেলে ঘুরে ঘুরে কমবয়সিদের খুঁজছে পুলিশ। কেউ শনিবার যন্তর মন্তরের কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসেছেন বলে সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদের মাত্রা বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।