Shocking: তরুণীর মাথা থেকে ৭৭টি সূঁচ বের করলেন চিকিৎসকরা! কীভাবে ঢুকল? চমকে দেওয়া ঘটনা

তরুণীর মাথা থেকে ৭৭টি সূঁচ বের করলেন চিকিৎসকরা! 'কালা জাদু'র কুসংস্কারেই ওই তরুণীর মাথায় সূঁচ গেঁথে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। ওড়িশার বুরলার বীর সুরেন্দ্র সাই ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস অ্যান্ড রিসার্চে (VIMSAR) ১৯ বছরের ওই তরুণীর অস্ত্রোপচার হয়।

Advertisement
 তরুণীর মাথা থেকে ৭৭টি সূঁচ বের করলেন চিকিৎসকরা! কীভাবে ঢুকল? চমকে দেওয়া ঘটনাneedle head
হাইলাইটস
  • তরুণীর মাথা থেকে ৭৭টি সূঁচ বের করলেন চিকিৎসকরা!
  • 'কালা জাদু'র কুসংস্কারেই ওই তরুণীর মাথায় সূঁচ গেঁথে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।
  • রাতজোরে সূঁচের কারণে মাথার খুলিতে কোনও আঘাত লাগেনি। 

তরুণীর মাথা থেকে ৭৭টি সূঁচ বের করলেন চিকিৎসকরা! 'কালা জাদু'র কুসংস্কারেই ওই তরুণীর মাথায় সূঁচ গেঁথে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। ওড়িশার বুরলার বীর সুরেন্দ্র সাই ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস অ্যান্ড রিসার্চে (VIMSAR) ১৯ বছরের ওই তরুণীর অস্ত্রোপচার হয়। সেখানে প্রথমে ৭০টি সূঁচ বের হয়। তার একদিন পরে, নিউরোসার্জন টিম ফলো-আপ সার্জারি করে। যাতে আরও ৭টি সূঁচ অপসারণ করা হয়।

ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর ভাবগ্রহী রথ জানান, এখনও পর্যন্ত দু'টি অস্ত্রোপচারে মেয়েটির মাথা থেকে ৭৭টি সূঁচ বের করা হয়েছে। বরাতজোরে সূঁচের কারণে মাথার খুলিতে কোনও আঘাত লাগেনি। তবে মাথায় ক্ষত রয়েছে। তিনি বলেন, রোগীর চিকিৎসা চলছে।

তিনি বলেন, মানসিক সমস্যার জন্য ওই তরুণী তান্ত্রিকের কাছে গিয়েছিলেন। এই বিষয়ে চিকিৎসক বলেন, এখনই তাঁর যে কোনও ধরনের মানসিক সমস্যা আছে, সেটা বলে দেওয়াটা ঠিক হবে না। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

মাথায় ব্যথা এবং সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকির কারণে প্রথমে ওই তরুণীকে বোলাঙ্গির থেকে VIMSAR-এ রেফার করা হয়েছিল। আপাতত তিনি বিপদমুক্ত, তবে অপারেশনের পরে তাকে প্রায় এক সপ্তাহ হাসপাতালে থাকতে হবে।

বৃহস্পতিবার, বোলাঙ্গিরের সিন্ধিকেলা থানার ইচগাঁওয়ের বাসিন্দা ১৯ বছর বয়সী ওই তরুণীর তীব্র মাথাব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রথমে তাঁকে ভীমা ভোই মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে সিটি স্ক্যান করা হলে তাঁর মাথায় ভর্তি সূঁচ মেলে। চমকে ওঠেন চিকিৎসকরা।

এর পরেই, প্রাথমিকভাবে চিকিত্সকরা আটটি সূঁচ অপসারণ করেছিলেন। তার পরেও তাঁর অবস্থার উন্নতি হয়নি। এই কারণে তাঁকে VIMSAR-এ রেফার করা হয়েছিল। সেখানে আরও ৭০টি সূঁচ বের করা হয়েছে।

মায়ের মৃত্যুর পর মেয়েটি অসুস্থ হতে থাকে 

হাসপাতালে ভর্তি মেয়েটির মা চার বছর আগে গত হয়েছিলেন। তারপর থেকে তিনি প্রায়শই অসুস্থ হতে শুরু করেন। সেই কারণেই ২০২১ সালে একজন তান্ত্রিকের সাথে দেখা করেছিলেন। এর পরেই মেয়েটির মাথা ব্যথার শুরু হয়। পরিবার চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতেই তাঁর মাথায় সূঁচ আটকে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারে।

Advertisement

বিষয়টি জানাজানি হতেই পুলিশ তদন্ত করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্ত একইভাবে চিকিৎসার নামে অন্যদের মাথায় সূঁচ ঢুকিয়েছে কিনা তা জানতে গোটা ঘটনার তদন্ত করছে কান্তবঞ্জি পুলিশ।

POST A COMMENT
Advertisement