বাস দুর্ঘটনাফের ভয়ঙ্কর বাস দুর্ঘটনা। এবার লখনউ-আগ্রা এক্সপ্রেসওয়েতে দিল্লি থেকে গোরখপুরগামী যাত্রীবোঝাই ডাবল ডেকার বাস উল্টে গিয়েছে। আর এই দুর্ঘটনায় অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ১৯ জন।
যতদূর খবর, এই দুর্ঘটনার সময় বাস থেকে ছিটকে পড়ে যান অনেক যাত্রী। তাঁরা গুরুতর জখম হন। এমন পরিস্থিতিতে একাধিক আহত যাত্রীকে লখনউ ট্রমা সেন্টারে রেফার করা হয়েছে। সেখানেই তাঁদের চলছে চিকিৎসা। আর এই দুর্ঘটনার খবর সামনে আসার পরই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
কীভাবে দুর্ঘটনা?
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, দিল্লি থেকে গোরখপুর যাচ্ছিল এই বাস। সকালে আওরাস থানার অন্তর্গত লখনউ-আগ্রা এক্সপ্রেসওয়ের ২৬২ কিলোমিটার এলাকায় পৌঁছয় বাসটি। তখনই এই বাসের চালকের চোখে ঘুম চলে আশে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায় বাসের। তার ফলেই বাসটি প্রথমে রেলিংয়ে ধাক্কা মারে। তারপর উল্টে যায়। এই দুর্ঘটনার অভিঘাত এতটাই ছিল যে বাসের যাত্রীরা ছিটকে বাইরে পড়ে যায়। যাঁরা বাইরে পড়ে যান, তাঁরা গুরুতরভাবে আহত হন। আর এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর মিলেছে। আহত অন্তত ১৯।
এই খবর পাওয়ার পরই সেখানে পৌঁছে যায় পুলিশ, ইউপিডিএ টিম এবং স্থানীয় আধিকারিকরা। তখনই শুরু হয়ে যায় উদ্ধার রাজ। পুলিশ এবং স্থানীয়দের সাহায্যে বাসে আটকে পড়া অনেককে উদ্ধার করা হয়। আহতদের দ্রুত নিয়ে যাওয়া হাসপাতালে।
বিপদ বাড়ছে
মাথায় রাখতে হবে, দেশে বাস দুর্ঘটনার ঘটনা প্রায়ই সামনে আসছে। মূলত রাতের দিকে চলা বাসগুলিতেই দুর্ঘটনার সংখ্যা বেশি। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাসের সঙ্গে কোনও গাড়ির ধাক্কা লাগছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আবার বাস গিয়ে সোজা ধাক্কা মারছে রেলিংয়ে। এমন পরিস্থিতিতে ধাক্কার অভিঘাতে বা আগুন লাগার জন্য অনেকেই মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ছেন।
আর এই বাস দুর্ঘটনা রুখতে ইতিমধ্যেই একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁরা বাস প্রস্তুতকারী সংখ্যাগুলিকেও একাধিক নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে। কিন্তু তারপরও একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে। তাতে মৃত্যুও হচ্ছে অনেকের। এখন দেখার সরকার এগিয়ে এসে আরও কোনও ব্যবস্থা নেয় কি না। তাতে আদতে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা কমে কি না।