Sikkim Earthquake Mangan Epicenter: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিকিম পাহাড়, তীব্র কম্পন আতঙ্কিত দার্জিলিং-কালিম্পং-শিলিগুড়ি

Sikkim Earthquake Mangan Epicenter: সিসমোলজি সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল মাটির মাত্র ১৪ কিলোমিটার গভীরে। সিকিমের লাচুং থেকে ২২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং গ্যাংটকের রাবাংলা থেকে ৩৪ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ছিল এর কেন্দ্রবিন্দু।

Advertisement
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিকিম পাহাড়, তীব্র কম্পন আতঙ্কিত দার্জিলিং-কালিম্পং-শিলিগুড়িSikkim earthquake

Sikkim Earthquake Mangan Epicenter: প্রকৃতি যেন কিছুতেই শান্ত হচ্ছে না। একদিকে যখন অকাল বৃষ্টি আর তুষারপাতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ, ঠিক তখনই শনিবার রাতের অন্ধকারে কেঁপে উঠল পাহাড়। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (NCS) জানিয়েছে, শনিবার রাত ৮টা বেজে ৪৪ মিনিটে উত্তরবঙ্গের কালিম্পং ও দার্জিলিং জেলায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ঠিক তার দু’মিনিট পরেই, অর্থাৎ ৮টা ৪৬ মিনিটে সিকিমের মঙ্গনেও কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.১। হঠাৎ করে মাটি কেঁপে ওঠায় আতঙ্কিত বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। তবে এখনও পর্যন্ত বড় ধরনের কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি।

সিসমোলজি সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল মাটির মাত্র ১৪ কিলোমিটার গভীরে। সিকিমের লাচুং থেকে ২২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং গ্যাংটকের রাবাংলা থেকে ৩৪ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ছিল এর কেন্দ্রবিন্দু। পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং থেকে এর দূরত্ব ছিল মাত্র ৬৫ কিলোমিটার। শুধু সিকিম বা পশ্চিমবঙ্গ নয়, কম্পন অনুভূত হয়েছে ভুটানের থিম্পু এবং মেঘালয়ের তুরা এলাকাতেও। পাহাড়ে গত কয়েক দিন ধরেই আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা চলছে, তার মধ্যে এই ভূকম্পন সাধারণ মানুষের মনে ত্রাসের সৃষ্টি করেছে।

উদ্বেগের বিষয় হলো, গত তিন দিন ধরে লাগাতার কাঁপছে হিমালয় সংলগ্ন এই অঞ্চল। শুক্রবার অর্থাৎ ২০ মার্চও সিকিমে দু’বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। ভোরবেলা মঙ্গনে ৩.৬ মাত্রার এবং গ্যাংটকে ২.৭ মাত্রার কম্পন হয়। তার আগে ১৯ মার্চ রাতেও গ্যাংটকে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছিল। ভূবিজ্ঞানীদের মতে, সিকিম ও উত্তরবঙ্গের এই অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ ‘জোন-৫’-এর অন্তর্গত। ফলে ঘনঘন এই কম্পন বড় কোনও বিপর্যয়ের ইঙ্গিত কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে বিশেষজ্ঞ মহলে।

কেবল সিকিম বা পশ্চিমবঙ্গ নয়, শনিবার কম্পন অনুভূত হয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতের অসম এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপালেও। শনিবার দুপুরে অসমের কোকরাঝাড়ে ২.৯ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়, যার উৎসস্থল ছিল মাটির মাত্র ৫ কিলোমিটার গভীরে। অন্যদিকে, সকালেই নেপালের মাটিও কেঁপে ওঠে। বারবার এই ছোট ছোট কম্পন বা ‘আফটার শক’ জনমনে আতঙ্কের পারদ চড়িয়েছে। বিশেষ করে পর্যটন মরশুমে পাহাড়ে যখন পর্যটকদের ভিড়, তখন প্রকৃতির এই রুদ্ররূপ রীতিমতো বিড়ম্বনায় ফেলেছে প্রশাসনকেও।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement