ECI on Gyanesh Kumar: SIR নিয়ে কি একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার? সুপ্রিম কোর্টে বড় দাবি কমিশনের

কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেই প্রক্রিয়াও ব্যাখ্যা করে কমিশন। তারা জানিয়েছে, সাধারণত কোনও ফাইল প্রথমে একজন নির্বাচন কমিশনারের কাছে যায়। তারপর সেটি অন্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়। সবার শেষে সিইসি-এর কাছে পেশ করা হয়। জরুরি পরিস্থিতিতে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে অনুমোদন নেওয়া হয়। 

Advertisement
SIR নিয়ে কি একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার? সুপ্রিম কোর্টে বড় দাবি কমিশনেরজ্ঞানেশ কুমার ইস্যুতে কী বলল কমিশন? (ছবি: পিটিআই)
হাইলাইটস
  • কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেই প্রক্রিয়াও ব্যাখ্যা করে কমিশন
  • তারা জানিয়েছে, সাধারণত কোনও ফাইল প্রথমে একজন নির্বাচন কমিশনারের কাছে যায়
  • তারপর সেটি অন্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়

দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমার কি একতরফাভাবে SIR-এর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? এবার এই অভিযোগ খারিজ করল খোদ ভারতের নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টে কমিশন জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত তিনটি নির্দেশই কমিশনের তিন সদস্যের সর্বসম্মতিতে গ্রহণ করা হয়েছিল।

CEC-এর কাজ এবং SIR-সংক্রান্ত ফর্মে পরিবর্তন নিয়ে দায়ের হওয়া মামলাগুলির জবাবে সুপ্রিম কোর্টে একটি হলফনামা জমা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেখানে কমিশনের দাবি, একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ ঠিক নয়। এটা সম্পূর্ণভাবে একটি সংবাদ প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। সিইসি এবং বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার সর্বসম্মতিভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছে কমিশন।

নির্বাচন কমিশন আরও স্পষ্ট করেছে, অভ্যন্তরীণ আলোচনা চলাকালীন সিইসি বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের তরফে কোনও পরামর্শ, পর্যবেক্ষণ কিংবা প্রশ্ন তোলা যেতেই পারে। তবে সেটা কমিশনের সিদ্ধান্ত নয়।


তিন সিদ্ধান্ত নিয়ে কী জানাল কমিশন?
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জুন, ২০২৫ সালের অক্টোবর এবং ২০২৬ সালের মে মাসে SIR নিয়ে তিনটি নির্দেশ জারি করা হয়েছিল। আর সেগুলি কমিশনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত ছিল।

কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেই প্রক্রিয়াও ব্যাখ্যা করে কমিশন। তারা জানিয়েছে, সাধারণত কোনও ফাইল প্রথমে একজন নির্বাচন কমিশনারের কাছে যায়। তারপর সেটি অন্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়। সবার শেষে সিইসি-এর কাছে পেশ করা হয়। জরুরি পরিস্থিতিতে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে অনুমোদন নেওয়া হয়। 

হলফনামায় বলা হয়েছে, কোনও ফাইল প্রসেসিং-এর সময় তিন সদস্যের মধ্যে কেউ পর্যবেক্ষণ জানালে বা প্রশ্ন তুললে, তাকে ২০২৩ সালের Chief Election Commissioner and Other Election Commissioners Act-এর ১৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য করা যায় না।

কমিশন আরও জানিয়েছে, অভ্যন্তরীণ কোনও নোট বা ফাইল তারা সংবাদমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করেনি। প্রকাশের অনুমতিও দেয়নি।

ফর্ম ৬ নিয়ে কী জানাল নির্বাচন কমিশন?
ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত ফর্ম ৬-এ পরিবর্তন করেছিল কমিশন। সেই নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে নির্বাচন কমিশন।

Advertisement

কমিশনের বক্তব্য, ফর্ম ৬-এ কোনও সংশোধন করা হয়নি। নির্ধারিত ফর্মে পরিবর্তন আনার ক্ষমতা একমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারের রয়েছে। অন্যদিকে, SIR প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ডিক্লিয়ারেশন একটি অন্য নথি।

তবে অনলাইনে আবেদনপত্র যেভাবে দেখানো হচ্ছিল, তাতে সেটিকে ফর্মের সংশোধন বলে মনে হতে পারে বলে স্বীকার করেছে কমিশন। সেই কারণে ২১ অক্টোবর থেকে অনলাইন আবেদনপত্রকে দু'টি পৃথক অংশে ভাগ করার কথা জানিয়েছে তারা। একটি ফর্ম ৬ এবং অন্যটি আলাদা ডিক্লিয়ারেশন। এর ফলে কাগজে জমা দেওয়া আবেদনের সঙ্গে অনলাইন ব্যবস্থার সামঞ্জস্য থাকবে।

CEC-কে কাজ থেকে বিরত রাখার আবেদনের বিরোধিতা
প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে তাঁর দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখার আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। এমনটাই বলেছে নির্বাচন কমিশন।

কমিশনের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিকে অপসারণের ক্ষেত্রে যে প্রক্রিয়া মেনে চলা হয়, সেই একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সিইসি-কে পদ থেকে সরানো সম্ভব।

 

POST A COMMENT
Advertisement