El Nino Effect On Winter: বর্ষার বৃষ্টির মতো শীতের ঠান্ডায় বাগড়া দেবে এল নিনো? বড় আপডেট

এল নিনো শক্তিশালী থাকবে শীতকালেও। এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। এর ফলে শীতকালে ঠান্ডা কম পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বাংলায় কী পরিস্থিতি থাকবে চলুন জেনে নেওয়া যাক।

Advertisement
বর্ষার বৃষ্টির মতো শীতের ঠান্ডায় বাগড়া দেবে এল নিনো? বড় আপডেটএল নিনো
হাইলাইটস
  • এল নিনো শক্তিশালী থাকবে শীতকালেও।
  • বাংলায় এল নিনোর কী প্রভাব, জেনে নেওয়া যাক।

বিদায়ের পথে বর্ষা। কিন্তু এল নিনো এখনও কাটেনি। শক্তিশালী এল নিনো থাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় এবার কম বৃষ্টি হয়েছে। এবার লাখ টাকার প্রশ্ন, এল নিনো শীতকে কতটা প্রভাবিত করতে পারে? আসলে ২০২৬ সালের দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু ১৩ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি নিয়ে বিদায়ের পথে। দেশের বেশ কিছু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষি। প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনো আরও শক্তিশালী হয়েছে। ফলে শীতকালেও প্রভাব থাকার আশঙ্কা। বিষয়টা আরও সহজ করে বোঝা যাক।    

মৌসম ভবন জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষ থেকে ২০২৭ সালের শুরু দিক পর্যন্ত এল নিনো অত্যন্ত শক্তিশালী থাকতে পারে ভারতে। উদাহরণ হিসেবে মনে করা যাক, ২০১৫ সালের কথা। সেবার শক্তিশালী এল নিনো থাকায় বর্ষার বৃষ্টি কম হয়েছিল। আবার শীতকালে তেমন ঠান্ডা পড়েনি। তার আগে ১৯৮২ এবং ১৯৮৭ সালেও একই পরিস্থিতি ছিল। তবে বর্ষায় বৃষ্টির খরা মানেই যে শীতকালে গরম পড়বে এমনটা বলা যাবে না। আসলে ভারতের শীতের উপর এল নিনোর প্রভাব বেশ জটিল। এটাও বলে রাখি, ভারতের কয়েকটি এলাকায় ঠান্ডার হেরফের হবে না। এবার প্রশ্ন, সেই সব এলাকার মধ্যে কি বাংলাও আছে?

বাংলায় কেমন শীত?

আবহবিদ রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা জানালেন,'এবার গোটা দেশে দীর্ঘস্থায়ী শীতের বদলে মাঝে মাঝে স্বল্প সময়ের জন্য তীব্র ঠান্ডার পর্ব দেখা যেতে পারে। উত্তর-পশ্চিম এবং উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অংশে তুলনামূলক বেশি সংখ্যায় পশ্চিমী ঝঞ্ঝার সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চল এবং উত্তরবঙ্গ পর্যন্ত পৌঁছতে পারে'।

তবে রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা এও মনে করিয়ে দিয়েছেন,'পূর্ব ভারতে শীতের চরিত্র মূলত আর্দ্রই থাকে। বঙ্গোপসাগরের উপর উচ্চচাপ বলয় তৈরি হওয়ায় পূর্ব ভারতে আবহাওয়া বেশিরভাগ সময় মনোরম থাকে। তবে কলকাতা-সহ পূর্ব ভারতের অন্যান্য এলাকায় কনকনে ঠান্ডার দিনের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে'।

তিনি যোগ করেছেন, মাঝেমধ্যেই কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়াও দেখা যেতে পারে। ফলে শীতজুড়ে একটানা কনকনে ঠান্ডা থাকবে না। স্বল্পস্থায়ী ঠান্ডার পর্ব চলবে। সেই সঙ্গে কুয়াশার সম্ভাবনা।

Advertisement

এবারের শীতের মঞ্চ তৈরি করে দিতে পারে প্রশান্ত মহাসাগরের এল নিনো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভারতের কোন অঞ্চলে কতটা ঠান্ডা, বৃষ্টি বা কুয়াশা থাকবে, তা নির্ধারণ করবে দেশের নিজস্ব বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতিই, মত রবীন্দ্র গোয়েঙ্কার।

TAGS:
POST A COMMENT
Advertisement