El Nino Impact West Bengal: 2027 সালের শুরু পর্যন্ত এল নিনো, বাংলার ওয়েদারে কী বদল?

মৌসম ভবনের এই পূর্বাভাসে একটা বিষয় বুঝে নিন, দেশে কোথাও বৃষ্টি হবে না এমনটা নয়। পূর্বাভাসের মানচিত্রে এমন কিছু এলাকাও রয়েছে, যেখানে কিছু অঞ্চলে স্বাভাবিক বা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা।

Advertisement
2027 সালের শুরু পর্যন্ত এল নিনো, বাংলার ওয়েদারে কী বদল?বাংলায় এল নিনো এফেক্ট।
হাইলাইটস
  • এল নিনো সক্রিয়।
  • বাংলার উপর কী প্রভাব, জানুন।

দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিদায় নিচ্ছে বর্ষা। বাংলায় অবশ্য এখনও বিদায়ের দিনক্ষণ জানায়নি। এখন বড় প্রশ্ন হল, বর্ষার ৪ মাসের মরসুম শেষ হওয়ার পর কি আর বৃষ্টিই হবে না? কারণ এল নিনো। ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। আরও একটা তথ্য জানিয়ে রাখা যাক, এবার দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর বিদায়ের সঙ্গে বর্ষায় বৃষ্টির ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৩ শতাংশে। এর মধ্যেই এল নিনোর আরও শক্তিশালী হওয়ার পূর্বাভাস।   

ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর ক্লাইমেট অ্যান্ড সোসাইটির পূর্বাভাস বলছে, ২০২৬ সালে এল নিনো পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী। ২০২৭ সালের শুরুর দিকেও অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনো থাকতে পারে। এবার আসা যাক, ভারতে এল নিনোর কী প্রভাব? এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন আবহাওয়া মডেল বলছে, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিকের তুলনায় শুষ্ক আবহাওয়া থাকার সম্ভাবনাই বেশি। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তফাৎ থাকতে পারে। সহজ ভাষায়, কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি, আবার কোথাও খরা। এই যেমন বর্ষাতেই হল। দেশে বৃষ্টির ঘাটতি। অথচ কয়েকটি এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে এল নিনো?

বাংলা ডট আজতক ডট ইন-কে আবহবিদ রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা জানালেন, এল নিনোর প্রভাব পড়ে না পূর্ব ভারতে। ফলে এ রাজ্যে শীতকালে তাপমাত্রা বাড়া বা কমার সঙ্গে এল নিনোর সরাসরি কোনও যোগ নেই। এখানেই এমনিতেই উত্তর ভারতের মতো ঠান্ডা পড়ে না। এমনকি একেবারে শুষ্ক, জলীয়বাষ্পহীন বাতাসও থাকে না শীতে। কারণটা হল বঙ্গোপসাগরের উচ্চচাপ। 

বাংলা থেকে বর্ষার বিদায় কবে?

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বিহার ও ঝাড়খণ্ড থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টা থেকে বর্ষা বিদায় নিচ্ছে। বাংলা থেকে এখনই বর্ষা যাচ্ছে না। বৃষ্টি বন্ধ হলেই বর্ষার বিদায় বলা যায় না। দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু এখনও রয়েছে। আবহবিদ রবীন্দ্র গোয়েঙ্কার পূর্বাভাস, দুর্গাপুজোর আগেই বর্ষা বাংলা থেকে বিদায় নিয়ে নেবে। উত্তরবঙ্গ থেকে ৬ থেকে ৮ অক্টোবরের মধ্যেই বর্ষা চলে যেতে পারে। আর দক্ষিণবঙ্গে ৯ থেকে ১২ অক্টোবরের মধ্যে বর্ষার বিদায়।
 

Advertisement

TAGS:
POST A COMMENT
Advertisement