Ice Cream Finger Case: কার কাটা আঙুল পাওয়া গিয়েছিল আইসক্রিমে? ডিএনএ টেস্টে যা জানা গেল

মুম্বাইয়ের মালাদ এলাকায় কয়েকদিন আগে অনলাইনে অর্ডার করা আইসক্রিম কাপের ভিতরে একটি আঙুল পাওয়ার গিয়েছিল। সেই ঘটনায় বড় তথ্য সামনে এসেছে। ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গিয়েছে যে আঙুলটি ইন্দাপুরের একটি আইসক্রিম কারখানার এক কর্মচারীর।

Advertisement
কার কাটা আঙুল পাওয়া গিয়েছিল আইসক্রিমে? ডিএনএ টেস্টে যা জানা গেলকার কাটা আঙুল পাওয়া গিয়েছিল আইসক্রিমে? ডিএনএ টেস্টে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট
হাইলাইটস
  • ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গিয়েছে যে আঙুলটি ইন্দাপুরের একটি আইসক্রিম কারখানার এক কর্মচারীর
  • ফরেনসিক ল্যাবের রিপোর্টে বলা হয়েছে আঙুল এবং আইসক্রিম কারখানার কর্মচারী ওমকার পোটের ডিএনএ একই

মুম্বাইয়ের মালাদ এলাকায় কয়েকদিন আগে অনলাইনে অর্ডার করা আইসক্রিম কাপের ভিতরে একটি আঙুল পাওয়ার গিয়েছিল। সেই ঘটনায় বড় তথ্য সামনে এসেছে। ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গিয়েছে যে আঙুলটি ইন্দাপুরের একটি আইসক্রিম কারখানার এক কর্মচারীর। পুলিশের মতে, ফরেনসিক ল্যাবের রিপোর্টে বলা হয়েছে আঙুল এবং আইসক্রিম কারখানার কর্মচারী ওমকার পোটের ডিএনএ একই। ইন্দাপুর কারখানায় আইসক্রিম ভর্তি করার প্রক্রিয়া চলাকালীন পোটের মাঝের আঙুলের একটি অংশ কেটে গিয়েছিল। পরে এটি মালাদের একজন ডাক্তারের অর্ডার করা আইসক্রিমের কোনে কাটা আঙুলটি পাওয়া যায়, যিনি মালাদ পুলিশকে বিষয়টি সম্পর্কে জানিয়েছিলেন।

আসলে, এই ঘটনাটি ১২ জুন সামনে আসে। মালাদের ওরলেমের বাসিন্দা পেশায় ডাক্তার ব্রেন্ডন ফেরাও একটি অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে তিনটি আইসক্রিম অর্ডার করেছিলেন। একটা কোন Yummo ব্র্যান্ডের বাটারস্কচ আইসক্রিম ছিল। ডাক্তার আইসক্রিমের অর্ধেক খেয়ে ফেলেছিলেন, কিন্তু তারপর জিভে অন্যরকম কিছু অনুভব করেন। এরপরেই তিনি কাপের ভিতরে একটি মানুষের আঙুলের টুকরো দেখতে পান। ডাক্তার তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি পুলিশকে জানান এবং থানায় গিয়ে আইসক্রিমের কোনটি পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশও প্রাথমিক তদন্তে স্বীকার করেছে যে আইসক্রিমে মানুষের আঙুল ছিল। পুলিশ আঙুলটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠায় এবং Yummo আইসক্রিম কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে এবং পরবর্তী পদক্ষেপ শুরু করে।

এই ঘটনার পরে, Yummo আইসক্রিম একটি বিবৃতি জারি করে বলেছিল যে গ্রাহকের অভিযোগ পাওয়ার পরে, সংস্থাটি বিষয়টিকে খতিয়ে দেখছে। কোম্পানির মুখপাত্র বলেছিলেন যে আমরা তৃতীয় পক্ষ থেকে আইসক্রিম তৈরি বন্ধ করে দিয়েছি। পণ্যের গুণমান এবং নিরাপত্তা আমাদের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহক পুলিশে অভিযোগ দায়ের করলে আমরা সমস্যা সমাধানের দিকে এগোচ্ছি। ইয়াম্মো আইসক্রিম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা বিষয়টি তদন্তে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করবে।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement