কানপুরে মোমোর দোকানবাংলার মোমো খুবই জনপ্রিয় খাবার। শুধু বাংলা কেন, মোটামুটি গোটা দেশেই ছড়িয়ে গিয়েছে এই পাহাড়ি খাবার। যদিও এই খাবার নিয়েই বর্তমানে একটা চাঞ্চল্যকর খবর সামনে এসেছে। কানপুরে ফুড সেফটি অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট শহরে মোমো বিক্রির সঙ্গে যুক্ত কিছু দোকানের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে। শুরু হয়েছে পরিদর্শন। সেখানে দেখা যায়, তিনটি জায়গায় প্রচণ্ড নোংরা রয়েছে। এমনকী মোমোর সঙ্গে দেওয়ার জন্য তৈরি চাটনি হয়েছে একবারেই অস্বাস্থ্যকরভাবে রাখা রয়েছে। সেটা খাবারই যোগ্য নয়। এমন পরিস্থিতিতে ১১৫ কেজি চাটনি নষ্ট করে দেওয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। পাশাপাশি মোমো এবং চাটনির নমুনা পাঠানো হয় ল্য়াবরেটরিতে।
এই অভিযান শুরু হয় ডিএম জিতেন্দ্র প্রতাপ সিংয়ের নির্দেশে। তারপরই ফুড সেফটি এবং ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রিশেন ডিপার্টমেন্ট হঠাৎ রাওয়াতপুর, সকেত নগর এবং মাসওয়ানপুরে পরিদর্শনে গিয়েছিল। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই পরিদর্শনের লক্ষ্য ছিল শহরে ঠিক ঠাক খাবার বিক্রি করা হচ্ছে কি না সেটা নিশ্চিত করা।
এই পরিদর্শনের সময় তারা কেশব নগরের আকাশ মোমোতে যান। এছাড়া রাওয়াতপুরের শ্রী বালাজি মোমো এবং সকেত নগরের আরও একটি মোমোর দোকানে যান। পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, এই তিন জায়গাতেই মোমোর চাটনির অবস্থা খারাপ অবস্থায় রয়েছে। সেই চাটনি শরীরের হাল বিগড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকেরা।
রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই চলছিল একটা ইউনিট
পরিদশর্নের সময় দেখা যায় রাওয়াতপুরের শ্রী বালাজি মোমোস ফুড রেজিস্টেশন ছাড়াই মোমো বিক্রির কাজ করছিল। সেখানে খাবার রাখার জন্য অস্বাস্থ্যকর ব্যবস্থা ছিল বলে মনে করছেন তারা।
চাটনি নিয়ে প্রশ্ন
এখন সব জায়গাতেই মোমোর সঙ্গে দেওয়া হয় চাটনি। আর সেই চাটনি খুব খারাপভাবে রাখা ছিল বলে জানা গিয়েছে। সেগুলি খেলে শরীরের হাল বিগড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে চাটনি। পাশাপাশি চাটনির নমুনা পাঠানো হয়েছে ল্যাবে।
তবে শুধু দোকান নয়, গাড়ি করে যাঁরা মোমো বিক্রি করেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও নেওয়া হয়েছে ব্যবস্থা।
কী বলেছেন ডিএম?
জেলাশাসক জিতেন্দ্র প্রতাত সিং জানান, মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনও রকম সমঝোতা করতে তাঁরা রাজি নন। এই ধরনের কাজ একবারে বরদাস্ত করা হবে না। প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার হল খাবারের গুণগত মান ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বজায় রয়েছে কি না সেটা দেখা।