রাতে বিরিয়ানি ও তরমুজ খেয়ে ঘুম, সকালে উঠেই মৃত্যু একই পরিবারের ৪ সদস্যের

পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৫ এপ্রিল আবদুল্লার বাড়িতে একটি পার্টি ছিল। বাড়িতে কয়েকজন আত্মীয়ও এসেছিলেন। তাঁরা চলে যাওয়ার পর রাত দশটা নাগাদ পরিবারের চার জন বিরিয়ানি খান। গভীর রাতে তরমুজও খাওয়া হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। 

Advertisement
রাতে বিরিয়ানি ও তরমুজ খেয়ে ঘুম, সকালে উঠেই মৃত্যু একই পরিবারের ৪ সদস্যের একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু
হাইলাইটস
  • মহারাষ্ট্রে মর্মান্তিত দুর্ঘটনা
  • খাদ্যে বিষক্রিয়াজনিত কারণে মৃত্যু একই পরিবারের ৪ জনের

মহারাষ্ট্রে মর্মান্তিত দুর্ঘটনা। খাদ্যে বিষক্রিয়াজনিত কারণে মৃত্যু একই পরিবারের ৪ জনের। আকস্মিক এই দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য। মৃতদের নাম আবদুল্লা ডোকাদিয়া (৪০), নাসরিন (৩৫), আয়েশা (১৬) এবং জয়নাব (১৩)।   

পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৫ এপ্রিল আবদুল্লার বাড়িতে একটি পার্টি ছিল। বাড়িতে কয়েকজন আত্মীয়ও এসেছিলেন। তাঁরা চলে যাওয়ার পর রাত দশটা নাগাদ ওই দম্পতি এবং দুই সন্তান বিরিয়ানি খান। গভীর রাতে তরমুজও খাওয়া হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। 

ডেপুটি পুলিশ কমিশনার প্রবীণ মুন্ডে বলেন, 'জেজে মার্গ থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। এক মুসলিম পরিবারের চার সদস্য স্বামী, স্ত্রী ও তাঁদের দুই মেয়ে মারা গেছেন। গত ২৫ এপ্রিল তাঁরা আত্মীয়দের ডেকে একসঙ্গে খাবার খেয়েছিলেন। রাত প্রায় সাড়ে ১০টার দিকে আত্মীয়রা চলে যান। পরে প্রায় রাত ১টার দিকে ওই চারজন তরমুজ খান। ভোরবেলা তাঁদের সব্বার বমি ও পাতলা পায়খানা শুরু হয়।' 

প্রতিবেশীরা খবর পেয়ে বাড়ি থেকে ওই চারজনকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় তাঁদের জেজে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাও শুরু হয়। তবে বাঁচানো যায়নি। চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মারা যান তাঁরা। 

স্থানীয় বাসিন্দা জায়েদ কোরেশি বলেন, 'রাতে হঠাৎ তাঁদের অবস্থার অবনতি হয়। বমি, ডায়রিয়া এবং দুর্বলতা ছিল। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু কাউকেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি।' 

পুলিশ একটি আকস্মিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য ময়নাতদন্তের সময় খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ডিসিপি মুন্ডে বলেন, 'ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। খাবারের নমুনা ও দেহের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আরও তদন্ত চলছে।'

তবে খাদ্য বিষক্রিয়ার সন্দেহ করা হলেও, কর্তৃপক্ষ অন্যান্য সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়নি। ফরেন্সিক ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে আসার পরই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement