ফাইল ছবি।পশুপালনকে গ্রামীণ এলাকার আয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কৃষকের পাশাপাশি সরকারও বিষয়টি জানে। এ কারণে পশুপালনের মাধ্যমে কৃষকদের আয় বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। এই ধারাবাহিকতায় মধ্যপ্রদেশ সরকার আদিবাসী সমাজের বেকার মানুষকে পশুপালনের সঙ্গে যুক্ত করার কাজ করছে।
দুটি গরু-মোষ বিনামূল্যে দেওয়া হবে
মধ্যপ্রদেশে আদিবাসী সমাজের উন্নতির জন্য সরকার যুবকদের এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত করছে। রাজ্যের বাইগা, ভারিয়া ও সাহারিয়া সম্প্রদায়ের মানুষকে পশুপালনের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ সমিতির পরিবারগুলোকে বিনামূল্যে দুটি গরু মহিষ বা গরু দেওয়া হবে। এছাড়া পশুখাদ্য থেকে শুরু করে যাবতীয় খরচের ৯০ শতাংশ দেবে সরকার। মধ্যপ্রদেশ পশুপালন দফতরের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেল থেকে সরকারের এই সিদ্ধান্তের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
আদিবাসী সমাজের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হবে
সরকারের এই পদক্ষেপ শুধু রাজ্যে পশুপালন বাড়াবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি উপজাতিরা বেকার সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে। চাকরি পাওয়ার পর এ সমাজের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থারও উন্নতি হবে। এর পাশাপাশি রাজ্যে বিপথগামী প্রাণীর সংখ্যাও কমবে।
রাজ্যে দুধের উৎপাদন বাড়াতে এই সিদ্ধান্তগুলি আগে নেওয়া হয়েছিল
মধ্যপ্রদেশ স্টেট কো-অপারেটিভ ডেইরি ফেডারেশন এবং স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার এমওইউ অনুসারে, মধ্যপ্রদেশের কৃষকদের এখন দুগ্ধজাত পশু কেনার জন্য কোনও গ্যারান্টি ছাড়াই ১০ লক্ষ পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে। এতে রাজ্যে দুধের উৎপাদন বাড়বে। এমওইউ অনুসারে, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত ৩ থেকে ৪টি ব্যাঙ্ক শাখা থেকে ২, ৪, ৬ এবং ৪টি দুগ্ধজাত পশু কেনার জন্য ঋণ দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন-মাত্র ৪৪৪ দিন FD-তে টাকা রাখলেই মালামাল, পাবেন ফাটাফাটি সুদ