Gaurugram Bengali Lady Torture: গোপনাঙ্গ পোড়ানো, টানা অত্যাচার; বাঙালি যুবতীকে অত্যাচার লিভ-ইন পার্টনারের

Gaurugram Bengali Lady Torture: ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে সুযোগ বুঝে অভিযুক্তের মোবাইল ব্যবহার করে নিজের মাকে ফোন করেন তরুণী। বাংলায় কথা বলায় শিবম বিষয়টি বুঝতে পারেনি বলে জানা গিয়েছে। ফোন পেয়ে তরুণীর মা সঙ্গে সঙ্গে ১১২ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তরুণীকে উদ্ধার করে।

Advertisement
গোপনাঙ্গ পোড়ানো, টানা অত্যাচার; বাঙালি যুবতীকে অত্যাচার লিভ-ইন পার্টনারেরগুরুগ্রামে বাঙালি যুবতীকে টানা অত্যাচার (Photo: Representational )

Gaurugram Bengali Lady Torture: হরিয়ানার গুরুগ্রামের সেক্টর ৬৯ এলাকায় এক তরুণীকে টানা তিন দিন ধরে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত যুবক শিবম নামে এক ব্যক্তি। গুরুতর জখম অবস্থায় ১৯ বছরের ওই তরুণীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং সেখানেই পুলিশের কাছে বয়ান দিয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা ত্রিপুরার বাসিন্দা এবং গুরুগ্রামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছিলেন। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে শিবমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তাঁরা লিভ-ইন সম্পর্কে থাকতে শুরু করেন। পরিবারের কাছে তরুণী জানিয়েছিলেন, তিনি পিজিতে থাকছেন।

অভিযোগ, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শিবম তাঁর উপর অমানবিক অত্যাচার শুরু করে। চরিত্র নিয়ে সন্দেহের জেরে মারধর করা হয় বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, স্টিলের বোতল দিয়ে মাথায় আঘাত করা, দেওয়াল ও আলমারিতে মাথা ঠুকিয়ে দেওয়া, ছুরি দিয়ে পায়ে আঘাত করা-সহ একাধিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। এমনকি স্যানিটাইজার ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। অভিযুক্ত তরুণীর নগ্ন ভিডিও ধারণ করে হুমকিও দেয় বলে অভিযোগ।

১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে সুযোগ বুঝে অভিযুক্তের মোবাইল ব্যবহার করে নিজের মাকে ফোন করেন তরুণী। বাংলায় কথা বলায় শিবম বিষয়টি বুঝতে পারেনি বলে জানা গিয়েছে। ফোন পেয়ে তরুণীর মা সঙ্গে সঙ্গে ১১২ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তরুণীকে উদ্ধার করে।

গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে স্থানান্তরিত করা হয় সফদরজং হাসপাতালে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা চলছে। হাসপাতালেই তিনি পুলিশের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দেন।

এদিকে, পরিবারের দাবি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার ধারাও যুক্ত করা হোক। গুরুগ্রাম পুলিশ অভিযুক্ত শিবমকে গ্রেফতার করেছে এবং মামলা রুজু করেছে। তাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement