Harish Rana: ১০ দিন হয়ে গেল, জল, খাবার বন্ধ, লাইফ সাপোর্ট নেই, তবু জীবিত সেই হরিশ রানা, AIMS ডাক্তাররাও অবাক

হরিশ এইমস ক্যান্সার হাসপাতালের প্যালিয়েটিভ কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন। ইউনিটের প্রধান ডাক্তার সীমা মিশ্রের মতে, সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে খাদ্য ও জল থেকে বঞ্চিত থাকার পর অস্বস্তির লক্ষণ দেখা দেয়। তবে, হরিশ গত ১৩ বছর ধরে গভীর কোমায় আছেন, যে কারণে তিনি কোনও সাড়া দিচ্ছেন না।

Advertisement
১০ দিন হয়ে গেল, জল, খাবার বন্ধ, লাইফ সাপোর্ট নেই, তবু জীবিত সেই হরিশ রানা, AIMS ডাক্তাররাও অবাক
হাইলাইটস
  • দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস (এইমস)-এ ভর্তি থাকা হরিশ রানা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন।
  • গত ১০ দিন ধরে তাঁকে খাবার ও জল দেওয়া হচ্ছে না। আশ্চর্যের বিষয় হলো, প্যাসিভ ইউথানেশিয়া পদ্ধতিতে বেশ কয়েকদিন পুষ্টি থেকে বঞ্চিত থাকার পরেও তাঁর অবস্থার অবনতি হয়নি।

দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস (এইমস)-এ ভর্তি থাকা হরিশ রানা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন। গত ১০ দিন ধরে তাঁকে খাবার ও জল দেওয়া হচ্ছে না। আশ্চর্যের বিষয় হলো, প্যাসিভ ইউথানেশিয়া পদ্ধতিতে বেশ কয়েকদিন পুষ্টি থেকে বঞ্চিত থাকার পরেও তাঁর অবস্থার অবনতি হয়নি।

রিপোর্ট অনুসারে, গাজিয়াবাদের বাসিন্দা হরিশ রানাকে ১৪ই মার্চ এইমস-এ ভর্তি করা হয়েছিল। ১৫ই মার্চ তাঁর তরল খাবার বন্ধ করে দেওয়া হয়। ১৭ই মার্চ থেকে জল দেওয়াও বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে, তিনি গত ১০ দিন ধরে খাবার বা জল ছাড়া রয়েছেন। তা সত্ত্বেও, তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

হরিশ এইমস ক্যান্সার হাসপাতালের প্যালিয়েটিভ কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন। ইউনিটের প্রধান ডাক্তার সীমা মিশ্রের মতে, সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে খাদ্য ও জল থেকে বঞ্চিত থাকার পর অস্বস্তির লক্ষণ দেখা দেয়। তবে, হরিশ গত ১৩ বছর ধরে গভীর কোমায় আছেন, যে কারণে তিনি কোনও সাড়া দিচ্ছেন না।

ব্যথা উপশমের জন্য ওষুধ দেওয়া
এইমস-এর একদল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হরিশ রানাকে ক্রমাগত ব্যথানাশক ও প্রয়োজনীয় ঔষধপত্র দিয়ে যাচ্ছেন, যাতে তিনি কোনও ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভব না করেন। তাঁর অন্তিম যাত্রা যেন শান্তিপূর্ণ ও যন্ত্রণাহীন হয়, তার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর বাবা অশোক রানার আইনজীবী মনীশ জৈন জানিয়েছেন যে, পরিবারকে নিয়মিতভাবে সব খবর জানানো হচ্ছে।

'শেষ যাত্রা' নিয়ে পরিবারের ভাবনা
আইনজীবী মনীশ জৈন জানিয়েছেন যে, এই সংবেদনশীল পরিস্থিতি সামাল দিতে হরিশ রানার পরিবার নিয়মিত কাউন্সেলিং নিচ্ছেন। ব্রহ্ম কুমারী রাজ যোগ ইনস্টিটিউটের সঙ্গে যুক্ত হরিশের পরিবার বলছে, তারা এই প্রক্রিয়াটি অহেতুক দীর্ঘায়িত করতে চায় না। তারা বিশ্বাস করে, তাদের ছেলের অন্তিম যাত্রা যেন কোনো কষ্ট ছাড়াই সম্পন্ন হয়।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement