Independence Day 2026: বড় খবর! লালকেল্লায় প্রথমবার গাওয়া হবে বাংলার এই গান, প্ল্যান মোদী সরকারের

Independence Day 2026: ১৫ অগাস্ট ২০২৬। ৮০তম স্বাধীনতা দিবস। দিল্লির লালকেল্লা থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবারের অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ 'বন্দে মাতরম্'-এর ১৫০ বছর পূর্তি।

Advertisement
বড় খবর! লালকেল্লায় প্রথমবার গাওয়া হবে বাংলার এই গান, প্ল্যান মোদী সরকারেরদিল্লির লালকেল্লা থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
হাইলাইটস
  • দিল্লির লালকেল্লা থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
  • প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লায় পৌঁছনোর পর থেকেই শুরু হবে একের পর এক অনুষ্ঠান।
  • অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে সমবেতভাবে বন্দে মাতরম্ গাইবেন।

Independence Day 2026: ১৫ অগাস্ট ২০২৬। ৮০তম স্বাধীনতা দিবস। দিল্লির লালকেল্লা থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবারের অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ 'বন্দে মাতরম্'-এর ১৫০ বছর পূর্তি। এই প্রথমবার লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে 'বন্দে মাতরম্' সমবেতভাবে গাওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লায় পৌঁছনোর পর থেকেই শুরু হবে একের পর এক অনুষ্ঠান। গার্ড অফ অনার, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ২১ তোপের সেলামি, হেলিকপ্টারে পুষ্পবৃষ্টি। সব মিলিয়ে বেশ বর্ণাঢ্য আয়োজন। 

লালকেল্লায় ভাষণ প্রধানমন্ত্রীর
লালকেল্লায় পৌঁছনোর পর প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় শেঠ এবং প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিংহ। এর পর দিল্লি এলাকার জেনারেল অফিসার কমান্ডিং-এর সঙ্গে পরিচয়পর্ব সেরে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে যাওয়া হবে সালামি মঞ্চের দিকে।

সেখানে যৌথ বাহিনী এবং দিল্লি পুলিশের বাহিনী প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবে।  

জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ২১ তোপের সেলামি
গার্ড অফ অনার পর্ব শেষের পর প্রধানমন্ত্রী লাল কেল্লার প্রাচীরের দিকে যাবেন। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানাবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী, প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী, চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ এবং তিন বাহিনীর প্রধানেরা।

এর পর প্রধানমন্ত্রী প্রাচীরে তৈরি মঞ্চে গিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন। তেরঙ্গা আকাশে উঠতেই ২১টি তোপের সেলামি দেওয়া হবে। এ জন্য দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ১০৫ মিমি লাইট ফিল্ড গান ব্যবহার করা হবে।

প্রথমবার লাল কেল্লায় সমবেত ‘বন্দে মাতরম্’
এবারের স্বাধীনতা দিবসে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ‘বন্দে মাতরম্’। পতাকা উত্তোলনের পর  সেনাবাহিনীর ব্যান্ডে বাজবে ‘বন্দে মাতরম্’-এর সুর।

এরপর অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে সমবেতভাবে বন্দে মাতরম্ গাইবেন। তারপর হবে জাতীয় সঙ্গীত।

অর্থাৎ, ১৫ অগাস্টের অনুষ্ঠানে এ বার ‘বন্দে মাতরম্’-কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় গানের ১৫০ বছর পূর্তিকে সামনে রেখেই এই আয়োজন।

আকাশ থেকে তেরঙ্গা, ‘বন্দে মাতরম্’ লেখা পতাকা নিয়ে ফুলের বৃষ্টি
জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় ভারতীয় বায়ুসেনার দু’টি MI-17 হেলিকপ্টার লালকেল্লার উপর দিয়ে পুষ্পবৃষ্টি।

একটি হেলিকপ্টারে থাকবে জাতীয় পতাকা। অন্যটিতে থাকবে ‘বন্দে মাতরম্’ লেখা পতাকা। 

Advertisement

দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
এরপর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। দেশের উন্নয়ন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং যুবসমাজের ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য রাখতে পারেন।   

ভাষণের পরেও ‘বন্দে মাতরম্’
প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শেষের পর NCC ক্যাডেট এবং My Bharat Volunteers মিলিত ভাবে ‘বন্দে মাতরম্’ গাইবেন। এর পর হবে জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’।

এ বার প্রায় ২,৫০০ জন ছেলে-মেয়ে এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। থাকবেন স্থলসেনা, নৌসেনা ও বায়ুসেনার NCC ক্যাডেট এবং My Bharat Volunteers। লালকেল্লার সামনে জ্ঞানপথে তাঁদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

লালকেল্লায় ৫,০০০ বিশেষ অতিথি
স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান দেখতে এ বার প্রায় ৫,০০০ বিশেষ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগী, মহিলা ব্যবসায়ী, তরুণ ইনভেন্টর, বিজ্ঞানী, স্টার্টআপের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, কৃষক, কারিগর, স্বাস্থ্যকর্মী এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনার মহিলা ব্যবসায়ী, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার সুবিধাভোগী, PM SVANidhi প্রকল্পের হকার, স্বচ্ছ ভারত মিশনের কর্মী, PM সূর্য ঘর প্রকল্পের সুবিধাভোগী এবং PM বিশ্বকর্মা প্রকল্পের কারিগরদেরও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে ট্র্যাডিশনাল পোশাকে ১,৫০০-র বেশি মানুষও অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

ভোর ৪টে থেকেই দিল্লি মেট্রো
১৫ অগস্ট সাধারণ মানুষের যাতায়াতের কথা মাথায় রেখে দিল্লি মেট্রো পরিষেবা ভোর ৪টে থেকে চালু হবে। আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য মেট্রো পরিষেবা বিনামূল্যে থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আমন্ত্রণপত্রের সঙ্গে মেট্রোর QR কোডও দেওয়া হবে। বৈধ পার্কিং লেবেল থাকা অতিথিদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় গাড়ি রাখার ব্যবস্থা থাকবে।

শুধু তাই নয়, বয়স্ক মানুষ এবং হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেট্রো স্টেশন ও পার্কিং এলাকার কাছে NCC ক্যাডেটদের মোতায়েন রাখা হবে, যাতে প্রয়োজন হলে তাঁরা সাহায্য করতে পারেন।

বৃষ্টির কথাও মাথায় রাখা হয়েছে
বর্ষাকাল হওয়ায় ১৫ অগাস্ট দিল্লিতে বৃষ্টির সম্ভাবনাও মাথায় রাখা হয়েছে। সেই কারণে অতিথিদের জন্য রেন পঞ্চোর ব্যবস্থা রয়েছে। লাল কেল্লা এবং আশপাশের নিকাশি ব্যবস্থাও পরিষ্কার করা হচ্ছে, যাতে বৃষ্টির জল জমে সমস্যা না হয়।  

POST A COMMENT
Advertisement