ভারতের হাতে ২২২৯টি যুদ্ধবিমান, বাংলাদেশের হাতে মাত্র এই কটা...বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর থেকেই পদ্মাপাড়ে শুরু হয়েছে ভারত বিদ্বেষ। অবস্থা এমন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সরাসরি ভারত আক্রমণের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। যদিও বাংলাদেশ সেনা ও সরকার কিন্তু এমন কোনও দাবি করছে না। মূলত কিছু বিতর্কিত নেতা, জামাতপন্থীরাই উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখছেন। এমন পরিস্থিতিতে নজর রাখা যাক, বাংলাদেশ ও ভারত কোন দেশের সেনার কাছে কত অস্ত্র আছে?
গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার ইনডেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বে সামরিক শক্তির দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৫ তম। অন্যদিকে, ভারত রয়েছে চতুর্থ নম্বরে। গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার এমন একটি সংস্থা যারা সামরিক খাত নিয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং গবেষণা করে। এই সংস্থাটি প্রতি বছর সামরিক শক্তির বিচার করে একটি তালিকা বা ইনডেক্স প্রকাশ করে। এবার দেখে নেওয়া যাক ২০২৫ সালের তথ্য অনুসারে ভারত ও বাংলাদেশ কোন দেশের হাতে কত সেনা-অস্ত্র রয়েছে?
বায়ুসেনার শক্তি
ভারতের কাছে এই মুহূর্তে মোট এয়ারক্রাফ্ট রয়েছে ২২২৯টি। এরমধ্যে ৫১৩টি ফাইটার জেট ও অ্যটাক হেলিকপ্টার রয়েছে ৮০টি। এছাড়াও, স্পেশাল মিশন, হেলিকপ্টার, ট্যাঙ্কার ফ্লিট রয়েছে ভারতের হাতে।
অন্যদিকে বাংলাদেশের হাতে মোট এয়ারক্রাফ্ট আছে ২১৪টি। এরমধ্যে ফাইটার জেট রয়েছে মাত্র ৪২টি। অন্যদিকে বাংলাদেশের হাতে কোনও অ্যাটাক হেলিকপ্টার নেই।
স্থল বাহিনীর শক্তি
ভারতীয় সেনার হাতে ৪২০১টি ট্যাঙ্ক রয়েছে। সাঁজোয়া গাড়ি রয়েছে ১ লক্ষ ৪৮ হাজার ৫৯৪টি। রকেট আর্টিলারি রয়েছে ২৬৪টি।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের কাছে ট্যাঙ্ক রয়েছে মাত্র ৩২০টি। সাঁজোয়া গাড়ি রয়েছে ১১ হাজার ৫৮৪টি। রকেট আর্টিলারি রয়েছে ১১০টি।
নৌসেনার শক্তি কত?
ভারতের হাতে মোট নৌবহর রয়েছে ২৯৩টি। এরমধ্যে এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার রয়েছে ২টি। সাবমেরিন রয়েছে ১৮টি। ডেস্ট্রয়ার রয়েছে ১৩টি। এছাড়াও ভারতের হাতে নজরদারি ভেসেল রয়েছে ১৩৫টি।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের নৌবহরে মোট ১১৮টি যুদ্ধযান রয়েছে। যার মধ্যে ডেস্ট্রয়ার একটাও নেই। এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ারের সংখ্যাও রয়েছে ০। আর সাবমেরিন রয়েছে মাত্র ২টি।