মহাকাশে ৫২ সেনা-নজরদারি স্যাটেলাইট পাঠাচ্ছে ISRO, লুকিয়েও পার পাবে না শত্রুরা

দেশের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে বিরাট পদক্ষেপ নিল নয়াদিল্লি। ২০২৯ সালের মধ্যে ৫২টি অ্যাডভান্সড মিলিটারি নজরদারি উপগ্রহ উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করছে ভারত।

Advertisement
মহাকাশে ৫২ সেনা-নজরদারি স্যাটেলাইট পাঠাচ্ছে ISRO, লুকিয়েও পার পাবে না শত্রুরামহাকাশে ৫২টি মিলিটারি স্যাটেলাইট পাঠাচ্ছে ISRO
হাইলাইটস
  • দেশের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে বিরাট পদক্ষেপ নিল নয়াদিল্লি।
  • ২০২৯ সালের মধ্যে ৫২টি অ্যাডভান্সড মিলিটারি নজরদারি উপগ্রহ উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা।
  • এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হচ্ছে প্রায় ২৬,০০০ কোটি টাকা।

দেশের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে বিরাট পদক্ষেপ নিল নয়াদিল্লি। ২০২৯ সালের মধ্যে ৫২টি অ্যাডভান্সড মিলিটারি নজরদারি উপগ্রহ উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করছে ভারত। SBS-3 এর আওতায় এই প্রজেক্ট করা হচ্ছে। যার জন্য মোট ব্যয় হচ্ছে প্রায় ২৬,০০০ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে প্রথম উপগ্রহটি ২০২৬ সালের এপ্রিলের মধ্যে উৎক্ষেপণ করা হতে পারে।

এই প্রোগ্রামটি সফল হলে ভারত আকাশ থেকে অনেক বেশি নির্ভুল ভাবে নজরদারি করতে পারবে। এই স্যাটেলাইটগুলি বিভিন্ন ধরণের সেন্সর দিয়েও সাজানো থাকবে। সেগুলি কী কী দেখে নেওয়া যাক।

  • ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল ক্যামেরা (দিনের বেলায় পরিষ্কার ছবি তোলার জন্য)।
  • সিন্থেটিক অ্যাপারচার রাডার (SAR) - যা মেঘ এবং খারাপ আবহাওয়াতেও কাজ করে।
  • ইনফ্রারেড সেন্সর - এগুলি রাতেও ছবি তুলতে পারে। 

এই প্রোগ্রামটি এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?

গত বছর পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের সময় অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারত লক্ষ্য করে, যে স্যাটেলাইটগুলি রয়েছে, সেগুলি রাতে বা মেঘলা আবহাওয়ায় সঠিক ভাবে কাজ করতে পারছে না। যার ফলে অনেক জায়গা নিয়ে ধন্দ রয়েছে। এই প্রোগ্রামের ফলে এই দুর্বলতাগুলি দূর হবে।

কারা এই স্যাটেলাইট তৈরি করছে?

ইসরো ২১টি স্যাটেলাইট তৈরি ও উৎক্ষেপণ করবে। বাকি ৩১টি স্যাটেলাইট তৈরি করবে বেসরকারি কোম্পানি। এটি হবে ভারতীয় সামরিক মহাকাশ প্রকল্পে এখন পর্যন্ত বেসরকারি খাতের বৃহত্তম অবদান। 

সূত্রের খবর, এই স্যাটেলাইটগুলি বিভিন্ন কক্ষপথে থাকবে। চিন, পাকিস্তান, ভারত মহাসাগর অঞ্চলের নানা দৃশ্য এই স্যাটেলাইটগুলির মাধ্যমে আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠবে। এই প্রজেক্টে আনুমানিক খরচ হতে পারে প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা।

এই পোগ্রামের ফলে দেশের গোয়েন্দা ইনপুট অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। ফলে সামরিক বাহিনী আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি, ভারত মহাসাগর নিয়েও অনেকাংশে নিশ্চিত হতে পারবে নয়াদিল্লি।

 

POST A COMMENT
Advertisement