PM Modi Japan Visit: 'ভারত-জাপান পরমাণু নিয়েও কাজ করবে', মার্কিন শুল্কযুদ্ধের আবহে বড় ঘোষণা মোদীর

দু'দিনের সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত ১৫তম ভারত-জাপান বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতেই এই সফর। সাত বছর পর এটাই মোদীর প্রথম একার জাপান সফর।

Advertisement
'ভারত-জাপান পরমাণু নিয়েও কাজ করবে', মার্কিন শুল্কযুদ্ধের আবহে বড় ঘোষণা মোদীর
হাইলাইটস
  • দু'দিনের সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
  • জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত ১৫তম ভারত-জাপান বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতেই এই সফর।

দু'দিনের সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত ১৫তম ভারত-জাপান বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতেই এই সফর। সাত বছর পর এটাই মোদীর প্রথম একার জাপান সফর। প্রধানমন্ত্রী আজ, শুক্রবার তাঁর ভাষণে জানান, এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ভারত-জাপান স্পেশাল স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড গ্লোবাল পার্টনারশিপকে আরও মজবুত করা এবং নতুন বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক লক্ষ্য
মোদী স্পষ্ট করেছেন, এই সফরের মাধ্যমে বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সেমিকন্ডাক্টর, রোবোটিক্স, বায়োটেক এবং স্পেস টেকনোলজিতে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি তিনি ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত ও জাপান যৌথভাবে পরমাণু শক্তি নিয়ে কাজ শুরু করবে বলে ঘোষণা করেছেন। দু’দেশের মধ্যে জয়েন্ট ক্রেডিট মেকানিজম ও ক্লিন-গ্রিন ফিউচার গঠনের চুক্তি ইতিমধ্যেই স্বাক্ষরিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, 'আজ ভারতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রয়েছে। ওয়ান নেশন ওয়ান ট্যাক্স, সিঙ্গেল ডিজিটাল উইন্ডো, ম্যানুফ্যাকচারিং সাফল্য, সবই ভারতের গ্লোবাল ইকোনমিতে অবদানকে আরও দৃঢ় করছে। ভারতীয় প্রতিভা আর জাপানের প্রযুক্তি মিলে এক নতুন বিপ্লব আনবে।'

বিনিয়োগ ও বাণিজ্য
জানা যাচ্ছে, এই সফরে ভারত প্রায় ৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি পেতে পারে। এছাড়াও সেমিকন্ডাক্টর, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে একটি অর্থনৈতিক নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কিন শুল্কযুদ্ধের আবহে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রক বিকল্প বাজারের খোঁজ করছে এবং জাপান সেই তালিকায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে উঠে আসছে। ফলে এই সফরে বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা প্রবল।

বুলেট ট্রেন প্রকল্প আলোচনায়
ভারত-জাপান যৌথভাবে নতুন প্রজন্মের ই১০ শিনকানসেন বুলেট ট্রেন উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি এদিন মারুতি-সুজুকি যৌথ উদ্যোগেরও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। যা ৪০ বছর আগে শুরু হয়েছিল এবং ভারতীয় শিল্পক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত খুলে দেয়।

Advertisement

সাংস্কৃতিক ও মানবসম্পদ সহযোগিতা
মোদী ভারতীয় প্রতিভাদের জাপানি ভাষায় প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁর মতে, সাংস্কৃতিক বন্ধন মজবুত হওয়ার পাশাপাশি এটি ভবিষ্যতের ব্যবসা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকেও আরও শক্তিশালী করবে।

আগামী কূটনৈতিক কর্মসূচি
জাপান সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী চিনে যাবেন। ৩১ অগাস্ট তিনি তিয়ানজিনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) সম্মেলনে যোগ দেবেন এবং সেখানেই চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠক করবেন।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement