India Ration Poverty: দারিদ্র কমার পরও ৮০ কোটি মানুষকে ফ্রি রেশন কেন? প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা যা বললেন

দেশে দারিদ্র কমেছে, তবু ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন কেন? মোদী সরকারের প্রকল্প নিয়ে কী বললেন অর্থনীতিবিদ শামিকা রবি?

Advertisement
দারিদ্র কমার পরও ৮০ কোটি মানুষকে ফ্রি রেশন কেন? প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা যা বললেন মোদী সরকারের প্রকল্প নিয়ে কী বললেন অর্থনীতিবিদ শামিকা রবি?
হাইলাইটস
  • দেশে দারিদ্রের হার দ্রুত কমেছে।
  • এখনও প্রায় ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দিচ্ছে কেন?

দেশে দারিদ্রের হার দ্রুত কমেছে। তাহলে কেন্দ্রীয় সরকার এখনও প্রায় ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দিচ্ছে কেন? প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শামিকা রবির কথায়, শুধু দারিদ্র দূর করাই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য নয়। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়। সেই সঙ্গে দেশের প্রতিটি পরিবারের পুষ্টির মান বাড়ানোরও চেষ্টা হচ্ছে।

'বিজ়নেস টুডে'র সম্পাদক সিদ্ধার্থ জারাবিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটা বলেন তিনি। শামিকা বলেন, উন্নত হোক বা উন্নয়নশীল, সব দেশেই অর্থনৈতিক অগ্রগতির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন ধরনের সামাজিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। ভারতও সেই পথেই হাঁটছে।

৮০ কোটি নয়, রেশন নিচ্ছেন ৫৫-৫৬ কোটি মানুষ
শামিকার দাবি, বিনামূল্যে খাদ্যশস্য পাওয়ার জন্য এলিজেবল বা যোগ্যদের সংখ্যা ৮০ কোটি। কিন্তু বাস্তবে নিচ্ছেন প্রায় ৫৫-৫৬ কোটি মানুষ।

তিনি আরও বলেন, বিনামূল্যে চাল-গম পাওয়ায় অনেক পরিবারেরই কিছুটা হলেও টাকা বাঁচছে। সেই টাকায় তাঁরা ফল, দুধ, ডিম, মাছ এবং মাংসের মতো পুষ্টিকর খাবার কিনবেন। পুষ্টির জন্য় এটি গুরুত্বপূর্ণ।

বিনামূল্যে রেশন কি কোনদিনও বন্ধ হয়ে যাবে?
দারিদ্র আরও কমে গেলে কি এই ফ্রি রেশন বন্ধ করে দেওয়া হবে? শামিকার মতে, সময়ের সঙ্গে নিয়মে পরিবর্তন আসতেই পারে। তবে ভারতে বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়। দীর্ঘদিন গুদামে তা মজুত রাখার খরচও কম নয়। আগে বৃষ্টিতে বা ইঁদুরের কারণে সরকারি গুদামে খাদ্যশস্য নষ্ট হয়ে যেত। তাই উদ্বৃত্ত খাদ্যশস্য মানুষের মধ্যে বিলি করাই বুদ্ধিমানের কাজ। গুদামে ফেলে রাখলে উল্টে অর্থের অপচয় হয়।

শামিকার বক্তব্য, গত ১২ বছরে দেশের সব ধরনের আয়ের মানুষেরই খাদ্যশস্য খাওয়ার পরিমাণ কমেছে। ধনী থেকে দরিদ্র; প্রতি শ্রেণির মানুষই আগের তুলনায় মাথাপিছু মাসে প্রায় দু'কেজি কম চাল-গম খাচ্ছেন। অর্থাৎ আগে মানুষ বেশি করে ভাত রুটি খেয়েই পেট ভরাতেন। এখন সবাই অন্য খাবার, যেমন শাকসবজি, প্রোটিন খাচ্ছেন। অথচ দেশে ধান-গমের উৎপাদন বাড়ছে।

দারিদ্রের হার ৩০ শতাংশ থেকে ৩.৯ শতাংশ?
শামিকা রবি জানান, ২০১১-১২ সালে রঙ্গরাজন কমিটির দারিদ্রসীমা অনুযায়ী দেশে দারিদ্রের হার ছিল প্রায় ৩০ শতাংশ। সাম্প্রতিক পারিবারিক ভোগব্যয়ের তথ্য বা HCES অনুযায়ী, তা কমে হয়েছে ৩.৯ শতাংশ।   

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement