নন্দীগ্রাম এক্সপ্রেসের কামরায় 'মধুরাতে'র আয়োজন দম্পতির, তারপর রেল যে ব্যবস্থা নিল

গত ৬ জুলাই নন্দীগ্রাম এক্সপ্রেসে (11002) যাচ্ছিল এক দম্পতি। গোটা কেবিনটি একেবারে ফুলশয্যার ঘরের মতো করে সাজিয়ে তোলা হয়।

Advertisement
নন্দীগ্রাম এক্সপ্রেসের কামরায় 'মধুরাতে'র আয়োজন দম্পতির, তারপর রেল যে ব্যবস্থা নিলট্রেনে ফুলশয্যা সাজানোর ভিডিও ভাইরাল
হাইলাইটস
  • রেলের কামরায় ফুলশয্যার ঘর।
  • সাসপেন্ড টিকিট পরীক্ষক।

ভারতীয় রেলে বিচিত্র ঘটনা! প্রথম শ্রেণির এসি কামরার (1AC) একটি কেবিন সাজানো হয়েছে ফুলশয্যার জন্য। আর তা নিয়ে জোর বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘ফুলশয্যার ঘরের’ মতো সাজানো সেই কেবিনের ভিডিও ভাইরাল হতেই পদক্ষেপ করল রেল কর্তৃপক্ষ। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে টিকিট পরীক্ষককে সাসপেন্ড করা হল।

ঘটনাটি গত ৬ জুলাইয়ের। নন্দীগ্রাম এক্সপ্রেসে (11002) যাচ্ছিল এক দম্পতি। নিজেদের রেলযাত্রাকে স্মরণীয় করে রাখতে তাঁরা অনলাইনের মাধ্যমে একটি বেসরকারি ডেকোরেটর সংস্থাকে বুক করেছিলেন। সেই সংস্থার কর্মীরা ট্রেনের ভিতরে ঢুকে গোটা কেবিনটি একেবারে ফুলশয্যার ঘরের মতো করে সাজিয়ে তোলেন। এই ভিডিওটি সামনে আসতেই তৎপর হয় রেল প্রশাসন। নিরাপত্তার দৃষ্টিতে বিষয়টিকে বড়সড় গাফিলতি হিসেবে দেখছে রেল কর্তৃপক্ষ। গাফিলতির অভিযোগে ট্রেনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীকে অবিলম্বে বরখাস্ত করে গোটা ঘটনার উচ্চপর্যায়ের বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রেলের নিয়ম কী?

রেল সূত্রের খবর, যাত্রীরা নিজেদের কেবিন সাজালে রেলের কোনও আপত্তি নেই। কোনও যাত্রী পুরো কেবিন বুক করতে পারেন। সেটি নিজেরা সাজিয়ে নিলে রেলের হস্তক্ষেপ করার কিছু থাকে না। যাত্রীরা কীভাবে সফর করবেন, তা সম্পূর্ণ তাঁদের নিজস্ব অধিকার। এতে কোনও আইনও লঙ্ঘিত হয় না।

তাহলে কেন বিতর্ক?

এই ঘটনার আসল বিতর্ক ট্রেনের ভিতরে বহিরাগত ডেকোরেটর কর্মীদের প্রবেশ নিয়ে। রেলের দাবি, ওই বেসরকারি ডেকোরেটরের ফার্স্ট এসি কোচে ঢোকার কোনও অনুমতি ছিল না। অনুমতি ছাড়া কোনও বহিরাগত ব্যক্তি এভাবে ভিআইপি কামরায় প্রবেশ করা নিরাপত্তার নিয়ম লঙ্ঘনের শামিল। 

রেলের তরফে জানানো হয়েছে, তদন্তের রিপোর্ট আসার পরেই প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে। সেই মোতাবেক করা হবে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ।

 

POST A COMMENT
Advertisement