উপরাষ্ট্রপতি পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর থেকে প্রায় অন্তরালেই চলে গিয়েছেন জগদীপ ধনখড়। আগামী সপ্তাহেই বাসবদল করতে চলেছেন তিনি। ইতিমধ্যেই সরকারি বাংলোর জন্য আবেদন জানিয়েছেন তিনি। তবে আপাতত তাঁকে থাকতে হবে ছত্তরপুরের গদাইপুরের ভাড়া নেওয়া একটি ফার্মহাউসে।
জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই জগদীপ ধনখড়ের নাম সরকারি বাংলো অ্যালট করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে তিনি এখনই সেখানে থাকতে পারবেন না। কারণ বাংলোটির মেরামত, সাজসজ্জার কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি। ফলে অস্থায়ী রূপে ছত্তরপুরের ফার্মহাউসেই থাতে হবে প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতিকে।
সূত্রের খবর, নিয়ম মাফিক তাঁর জন্য বরাদ্দ বাংলোটির জন্য আবেদন জানিয়েছেন জগদীপ ধনখড়। জানা গিয়েছে, ল্যুয়েন্স দিল্লিতে ৩৪ নম্বর এপিজে আবদুল কালাম মার্গের একটি টাইপ এইট বাংলো বরাদ্দ করা হয়েছে বটে, কিন্তু সেই বাড়িতে আবার এখন বাস করছেন এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সে বাংলো খালি না হওয়া পর্যন্ত ধনখড় বসবাস করতে পারবেন না। তবে বাংলো খালি হলেও প্রয়োজন মেরামতি এবং সংস্কারের। সেসব করতে কেন্দ্রীয় সরকারের পূর্ত দপ্তরের অন্তত ২-৪ মাস সময় লাগবে।
কিন্তু এর আগে উপরাষ্ট্রপতি পদমর্যাদার কোনও ব্যক্তিকে এভাবে বেসরকারি বা ভাড়াবাড়িতে থাকতে হয়নি।
এসবের মধ্যে প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক হিসাবে প্রাপ্য পেনশনের জন্য আবেদন করেছেন জগদীপ ধনখড়।
নিয়ম অনুযায়ী, দু’বছরের বেশি সময় দায়িত্ব সামলানোর পর যদি উপরাষ্ট্রপতি ইস্তফা দেন তাহলে তাঁকে অবসরপ্রাপ্ত উপরাষ্ট্রপতিদের মতোই সুযোগসুবিধা দেওয়া হয়। সেই নিয়মে ইস্তফার পরও টাইপ এইট বাংলো পাওয়ার কথা ধনকড়ের। কিন্তু ইস্তফার পর দীর্ঘদিন সরকারি বাংলোর জন্য আবেদনই করেননি প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি। তিনি যতদিনে আবেদন করলেন ততদিন অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছে।