Jaishankar EC Notice : এবার SIR-এর নোটিস পেলেন খোদ বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর, তালিকায় প্রাক্তন সেনাপ্রধানও

এই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী এবং তাঁর স্ত্রী সুনীতা দ্বিবেদী। তাঁদের দু’জনের নামও নয়াদিল্লি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় রয়েছে।

Advertisement
এবার SIR-এর নোটিস পেলেন খোদ বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর, তালিকায় প্রাক্তন সেনাপ্রধানও বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর (ছবি : PTI)
হাইলাইটস
  • CPM সাংসদ জন ব্রিটাসের স্ত্রী শেবা ব্রিটাস এবং তাঁদের ছেলে আনন্দ ব্রিটাসকেও নোটিস পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন
  • সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করার জন্য তাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে

এবার দিল্লিতে একাধিক পরিচিত ব্যক্তিকে SIR-এর নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। সেই তালিকায় রয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং তাঁর স্ত্রী কিয়োকো এস জয়শঙ্কর। একইসঙ্গে নোটিস পেয়েছেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী ও তাঁর স্ত্রী সুনীতা দ্বিবেদী। CPM সাংসদ জন ব্রিটাসের স্ত্রী শেবা ব্রিটাস এবং তাঁদের ছেলে আনন্দ ব্রিটাসকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের এই নোটিসগুলি দেওয়া হয়েছে AC-40 অর্থাৎ নয়াদিল্লি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে। সংশ্লিষ্ট ভোটারদের পুরনো ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান নথির সংযোগ যাচাই করতেই এই নোটিস পাঠানো হয়েছে।

জয়শঙ্কর ও তাঁর স্ত্রীকে কেন নোটিস?

এস জয়শঙ্কর এবং তাঁর স্ত্রী কিয়োকো এস জয়শঙ্কর- দু’জনেই নয়াদিল্লি বিধানসভা কেন্দ্রের সুন্দরবাগ ইলেক্টোরাল পার্টের ভোটার। তাঁদের নোটিসে আপম্যাপড উইথ লাস্ট SIR শ্রেণিতে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ বর্তমান ভোটার তালিকায় তাঁদের যে রেকর্ড রয়েছে, তা আগের SIR-এর সময় তৈরি ভোটার তালিকার সঙ্গে লিঙ্ক করা যায়নি। ফলে সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করার জন্য তাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে।

এটি ভোটার তালিকার সংশোধন প্রক্রিয়ার একটি অংশ। কোনও ভোটারের নাম সরিয়ে দেওয়া হয়েছে- এমনটা নোটিসের অর্থ নয়। বরং পুরনো রেকর্ডের সঙ্গে বর্তমান তথ্যের মিল খুঁজে দেখা এবং প্রয়োজনীয় যাচাই করাই এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য।

নোটিস জন ব্রিটাসের পরিবারেও

CPM সাংসদ জন ব্রিটাসের স্ত্রী শেবা ব্রিটাস এবং তাঁদের ছেলে আনন্দ ব্রিটাসকেও নোটিস পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। দু’জনেরই ভোটার তালিকায় ঠিকানা নয়াদিল্লি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। শেবা ব্রিটাসের ক্ষেত্রে নোটিসে নিজের নামের অমিলের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, আনন্দ ব্রিটাসকে পিতা-মাতার নাম ম্যাচ করেনি, এই মর্মে নোটিস দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ভোটার তালিকায় বাবা-মায়ের নাম সংক্রান্ত তথ্যের সঙ্গে কোনও অমিল চিহ্নিত হয়েছে। আনন্দকে দেওয়া নোটিসটি তাঁর মায়ের ভোটার রেকর্ডে পাওয়া অমিলের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

Advertisement

প্রাক্তন সেনাপ্রধান ও স্ত্রীকেও নোটিস

এই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী এবং তাঁর স্ত্রী সুনীতা দ্বিবেদী। তাঁদের দু’জনের নামও নয়াদিল্লি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় রয়েছে।

জয়শঙ্কর দম্পতির মতোই তাঁদের ভোটার রেকর্ডেও একই কারণ দেখানো হয়েছে। অর্থাৎ তাঁদের বর্তমান ভোটার রেকর্ডকে আগের SIR-এর সময়কার তালিকার সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত করা যায়নি।

কেন চলছে এই যাচাই?

নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধনের অন্যতম লক্ষ্য হল ভোটার তালিকায় থাকা তথ্যের নির্ভুলতা যাচাই করা। সেই প্রক্রিয়াতেই পুরনো তালিকার সঙ্গে বর্তমান ভোটারদের তথ্য মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।

নয়াদিল্লি বিধানসভা কেন্দ্রের AC-40-এ চলা এই সংশোধন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই একাধিক ভোটারকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। নোটিসে যে কারণগুলি উল্লেখ করা হচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে পুরনো SIR-এর সঙ্গে রেকর্ডের সংযোগ না পাওয়া, নিজের নামের অমিল এবং বাবা-মায়ের নামের অমিল।

এই নোটিসের পর সংশ্লিষ্ট ভোটারদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি নিয়ে রেকর্ড যাচাই করা হবে। ভোটার তালিকার সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই সংশ্লিষ্ট রেকর্ডের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
 

POST A COMMENT
Advertisement