
সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সফদরজং হাসপাতাল থেকে মেদান্ত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। এরপর রাতে মেদান্ত হাসপাতালে গিয়ে ২ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনশনরত এই সমাজকর্মীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। মিনিট দশেক ধরে বৈঠক হয় তাঁদের।
তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশিই জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিং সোনমকে জানান, সংসদে শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কার এবং NEER প্রশ্নফাঁস নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত সরকার।
সূত্রের খবর, দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে সরকার ধাপে ধাপে কতগুলি পদক্ষেপ করবে বলে সোনমকে আশ্বাস দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদ্বয়। তাঁরা চাইছেন, সোনম আন্দোলনকারী ছাত্রদের আর্জি জানান, তাঁরা যেন সরকারের উপর ভরসা রাখেন এবং নতুন করে বিক্ষোভ না করেন।
মেদান্ত হাসপাতালে যাওয়ার আগে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও বৈঠক করেন। ৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে সেই বৈঠক।
এদিকে, মঙ্গলবারের বিক্ষোভের পর কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজুর সঙ্গে কথা বলেছেন রাহুল গান্ধী। তাঁকেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, সরকার এই ইস্যুতে সংসদে আলোচনা করতে রাজি। রাহুল গান্ধী কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহেরও পদত্যাগ দাবি করেছেন।
অন্যদিকে, ছাত্র-যুবদের মিছিলে ‘পুলিশি হামলা’ নিয়ে আলোচনা চেয়ে নোটিস দিলেন রাজ্যসভায় তৃণমূলের মুখ্যসচেতক নাদিমূল হক। পাশাপাশি ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে ‘আরশোলাদের’ আন্দোলনে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রয়োজনে তাঁদের পাশে গিয়ে দাঁড়াবেন বলেও জানিয়েছিলে তিনি।
বুধবার সকাল থেকেই দিল্লির যন্তর মন্তরে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। তাঁদের দাবি এখন একটাই, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। শুধু ভারতে নয়, এই আন্দোলনের আঁচ পড়েছে নিউ ইয়র্ক, লন্ডনেও। সোনম ওয়াংচুকের সমর্থনে বিক্ষোভ প্রদর্শন হয়েছে এই দুই শহরেও।