Kalyan Banerjee: সাসপেন্ড হয়েই শমীকের সঙ্গে হ্যান্ডশেক কল্যাণের, কাকলির আনা অভিযোগ নিয়ে কী বললেন?

সাসপেনশনের পরই কাকলি ঘোষ দস্তিদারের আনা অভিযোগ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে দেখা গেল শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে হাত মেলাতে।

Advertisement
 সাসপেন্ড হয়েই শমীকের সঙ্গে হ্যান্ডশেক কল্যাণের, কাকলির আনা অভিযোগ নিয়ে কী বললেন? কল্যাঁ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মহুয়া মৈত্রর সঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য
হাইলাইটস
  • কাকলির আনা অভিযোগ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন কল্যাণ
  • শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে হাত মেলালেন
  • সাসপেন্ড হয়ে কী বক্তব্য শ্রীরামপুরের সাংসদের?

লোকসভা থেকে বাদল অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড হওয়ার পরই সংসদের বাইকে BJP-র রাজ্যসভার MP শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করতে দেখা গেল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পাশে ছিলেন মহুয়া মৈত্রও। সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি হতেই রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। 

নিজের সাসপেনশন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বুধবার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'আমায় সাসপেন্ড করিয়ে কী এমন করে নেবে ওঁরা? মাত্র ২০ জনের একটা পার্টি। একমাস পর একটা মিটিং করেছে ওঁরা। ২০ জন ভোটার ওঁদের আছে কি না সন্দেহ। কিছু নেই ওঁদের। পশ্চিমবঙ্গে একটা লোকও ওঁদের ভোট দেয়নি।' তাঁর সংযোজন, 'ওঁরা সকলেই অসৎ এবং বিশ্বাসঘাতক।' কল্যাণের হুঁশিয়ারি, 'দেখে নেবেন, এক বছরের মধ্যে এই সরকার পড়ে যাবে।'

সংসদের চলতি অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বাদল অধিবেশনের বাকি দিনগুলিতে তিনি লোকসভায় অংশ নিতে পারবেন না তৃণমূলের (মমতাপন্থী) শ্রীরামপুরের এই সাংসদ। তাঁর বিরুদ্ধে সংসদের অন্দরে মহিলা সাংসদদের নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে। এই নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মূলত অভিযোগের আঙুল তুলেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তারপরই লোকসভার বাদল অধিবেশন থেকে তাঁকে সাসপেন্ড করার দাবি জানান BJP সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। এই মর্মে তিনি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে একটি চিঠিও জমা দেন। সংসদের পরিবেশ নষ্ট করছে কল্যাণের আচরণ, চিঠিতে এমটাই উল্লেখ করা হয়েছে। এরপরই লোকসভা থেকে তাঁকে বাদল অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করার ঘোষণা করা হয়। 

কাকলির অভিযোগ, বারবার শ্রীরামপুরের সাংসদ আপত্তিকর, অসম্মানজনক, নারীবিদ্বেষী ও অবমাননাকর ভাষা প্রয়োগ করেছেন। শুধু তাঁকে নয়, অসম্মান করেছেন লোকসভার অন্যান্য মহিলা সাংসদদেরও। ব্যক্তিগত আক্রমণ করা, হেনস্থা করা যেন কল্যাণের স্বভাব হয়ে দাঁড়িয়েছিল। একবার নয়, বারবার এহেন আচরণ করেছেন তিনি। এমনটাই উল্লেখ করেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সংসদে মহিলাদের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি, এতে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন একদা কল্যাণেরই সতীর্থ কাকলি। 

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement