Kedarnath Helicopter Price: হেলিকপ্টারে কেদারনাথ যেতে কেমন খরচ? ৩৫ দিনেই ৯ লাখ ভক্তের দর্শন

বছরের পর বছর কেদারনাথের জনপ্রিয়তা যেন বেড়েই চলেছে। ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত কেদারনাথ যাত্রা ভেঙে দিয়েছে আগের সব রেকর্ড। এপ্রিলে মন্দিরের দরজা খোলার পর থেকে ৩৫ দিনের মধ্যেই রেকর্ড সংখ্যক ভিড়ের সাক্ষী রয়েছে উত্তরাখণ্ড। ইতিমধ্যেই ৯ লক্ষ ভক্ত এই পবিত্র তীর্থস্থান পরিদর্শন করে ফেলেছেন।

Advertisement
হেলিকপ্টারে কেদারনাথ যেতে কেমন খরচ? ৩৫ দিনেই ৯ লাখ ভক্তের দর্শনকেদারনাথ যেতে হেলিকপ্টারে খরচ কত?
হাইলাইটস
  • বছরের পর বছর কেদারনাথের জনপ্রিয়তা যেন বেড়েই চলেছে।
  • ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত কেদারনাথ যাত্রা ভেঙে দিয়েছে আগের সব রেকর্ড।
  • ৩৫ দিনের মধ্যেই রেকর্ড সংখ্যক ভিড়ের সাক্ষী রয়েছে উত্তরাখণ্ড।

বছরের পর বছর কেদারনাথের জনপ্রিয়তা যেন বেড়েই চলেছে। ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত কেদারনাথ যাত্রা ভেঙে দিয়েছে আগের সব রেকর্ড। এপ্রিলে মন্দিরের দরজা খোলার পর থেকে ৩৫ দিনের মধ্যেই রেকর্ড সংখ্যক ভিড়ের সাক্ষী রয়েছে উত্তরাখণ্ড। ইতিমধ্যেই ৯ লক্ষ ভক্ত এই পবিত্র তীর্থস্থান পরিদর্শন করে ফেলেছেন। রিপোর্ট বলছে, প্রতিদিন প্রায় ৩০,০০০ মানুষ কেদারনাথে আসছেন। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই কেদারনাথের রাস্তায় হচ্ছে ব্যাপক যানজট।

ট্রাফিক এড়াতে ও ক্লান্তিকর ২৩ কিমি রাস্তা পদযাত্রার কষ্ট কমাতে অনেকেই সহজ উপায় হিসেবে বেছে নিচ্ছেন উড়ান পরিষেবা। মূলত ফাটাহ, গুপ্তকাশী, সিরসি থেকেও রয়েছে হেলি পরিষেবা। এই হেলি প্যাডে পৌঁছানোর জন্য দিল্লি, দেরাদুন থেকে সরাসরি ফ্লাইটও রয়েছে।

এখানে হেলিকপ্টারের ভাড়া ও রুট নিয়ে আলোচনা করা হল -

গুপ্তকাশী, সিরসি এবং ফাটাহ থেকে কেদারনাথ মন্দিরের বেস ক্য়াম্প পর্যন্ত হেলিকপ্টার পরিষেবা রয়েছে। বেস ক্য়াম্প থেকে পায়ে হেঁটে মন্দিরে যেতে সময় লাগে মিনিট ২০-৩০ মিনিট।

খরচ কত হয়?

এখানে হেলিকপ্টারগুলি প্রাইভেটেও পরিষেবা দেয়। ফলে ভাড়া বিভিন্ন হয়। তবে জনপ্রতি ভাড়া সাধারণত রিটার্ন-সহ পড়ে ৬০০০-৮০০০ টাকা। তবে হেলিকপ্টার বুকিংয়ের ক্ষেত্রে প্রতারকদের হাত থেকে সাবধানে থাকতে হবে। এরজন্য শুধুমাত্র অফিসিয়াল IRCTC HeliYatra ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বুক করাই সবচেয়ে সেরা অপশন।

কেদারনাথে কী কী দর্শনীয় স্থান রয়েছে?

কেদারনাথ মন্দিরের প্রায় দেড়- আড়াই কিমি দূরে রয়েছে বেস ক্যাম্প। হেলিকপ্টারে করে এখানে অবতরণের পর বাকি রাস্তাটা সাধারণত হেঁটেই যাম ভক্তরা। মন্দিরে পৌঁছে সরাসরি 'কেদার বাবা'র দর্শন ও পুজো করা যায়। এছাড়াও, মন্দিরের পিছনে রয়েছে ঐতিহাসিক ভীম শিলা। বলা হয় ২০১৪ সালে বিধ্বংসী বন্যার জলকে ঠেকিয়ে মন্দিরকে রক্ষা করেছিল এই ভীম শিলা।

মন্দিরের অদূরেই রয়েছে মহান সাধক আদি শঙ্করাচার্যের মন্দির। মাত্র ৩২ বছর বয়সে তিনি মোক্ষ লাভ করেছিলেন। 

এছাড়াও, মন্দির থেকে ৫০০ মিটার উঁচুতে রয়েছে ভৈরবনাথের মন্দির। তাঁকে কেদারনাথের রক্ষক হিসেবে মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, শীতকালে মন্দিরের দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সমগ্র এলাকা পাহারা দেন।

Advertisement


 

POST A COMMENT
Advertisement